বিশেষ প্রতিবেদক:
অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমারের ক্যাশিয়ার রুবেল দে এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। কনডেম সেল থেকে ওসি প্রদীপের লেখা একটি চিঠির সূত্রে জানা যায়, প্রদীপের অবৈধ উপার্জিত প্রায় ৯ কোটি টাকা এবং একটি বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে এই রুবেলের কাছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, রুবেল ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী এবং কমার্স কলেজ ছাত্রলীগ শাখার সাবেক নেতা। সম্পর্কে তিনি ওসি প্রদীপের দূরসম্পর্কীয় আত্মীয় হলেও প্রদীপ তাকে ‘মামা’ বলে সম্বোধন করতেন। মূলত ওসি প্রদীপের ইয়াবা ব্যবসা ও অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ডের মূল হোতা এবং ক্যাশিয়ার হিসেবেই তিনি এলাকায় পরিচিত।
যেভাবে চলছে আত্মগোপন ও অপতৎপরতা
সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার এড়াতে এবং নিজেকে নিরাপদ রাখতে রুবেল দে বর্তমানে চট্টগ্রাম গোলপাহাড় মহাশ্মশান ও মন্দির পরিচালনা কমিটির যুগ্ম সম্পাদকের পদ বেছে নিয়েছেন। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আড়ালে তিনি গোপনে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও অর্থায়ন করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সাবেক মন্ত্রী নওফেলের নির্দেশে নগরীর জিইসি এলাকায় নিষিদ্ধ সংগঠন ও ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলে নিয়মিত অর্থের যোগান দিচ্ছেন তিনি। এছাড়া ভারতে পালিয়ে থাকা নিষিদ্ধ সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে গড়ে তুলেছেন হুন্ডির বিশাল সিন্ডিকেট। এই হুন্ডি ব্যবসার মাধ্যমে দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করছেন তিনি। হুন্ডি ও চোরাচালানের কাজে প্রায়ই দুবাই ও ভারত যাতায়াত করেন রুবেল। দুবাইয়ে তার এই অবৈধ হুন্ডি ব্যবসার মূল পার্টনার চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার উত্তম বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তি।
মন্দির কমিটিতে ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসনের পায়তারা
আজ শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) গোলপাহাড় মহাশ্মশান ও মন্দির পরিচালনা কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রুবেল দে আরও কয়েকজন আওয়ামীপন্থীকে কমিটিতে বসানোর জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ ছড়াচ্ছেন। বিশেষ করে, আওয়ামী সাংস্কৃতিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রামের চিহ্নিত চাঁদাবাজ আয়ান শর্মাকে কমিটিতে আনার জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি।
এ ঘটনায় স্থানীয় সনাতনী সমাজে তীব্র ক্ষোভ ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সাধারণ সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, আয়ান শর্মা একজন প্রতারক ও সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত; যার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এ ধরনের বিতর্কিত ও অসৎ ব্যক্তি কোনোভাবেই পবিত্র ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে আসতে পারেন না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবিলম্বে রুবেল দে ও তার সহযোগীদের আইনের আওতায় আনা উচিত।
কাইয়ুম চৌধুরী,সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার কুমিরা ঘাটঘর এলাকা থেকে বোটভর্তি অবস্থায় মালিকবিহীন অবস্থায়…
কাইয়ুম চৌধুরী, সীতাকুণ্ড: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের কদমরসুল বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৪০টি দোকান…
সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: সীতাকুণ্ডে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও প্রকাশ্যে অস্ত্র…
সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের কদমরসুল কাঁচাবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ৪০টি…
সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে মাদককারবারিদের দায়ের করা মিথ্যা মামলায় মাদকবিরোধী কমিটির ৬ যুবককে কারাগারে পাঠানো…
স্টাফ রিপোর্টার: কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের হিসাব সহকারী ইসমাইল হোসেনের সঙ্গে বীর…
This website uses cookies.