
কাইয়ুম চৌধুরী, সীতাকুণ্ড
চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীর কদম রসূল এলাকায় ওপিন এগ্রো নামে তরুণ উদ্যোক্তা নাঈম উদ্দিনের গরুর খামারে বিশাল আকৃতির বড়, মাঝারী কোরবানির পশু উপজেলাতে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
ইতোমধ্যে এই খামারের কোরবানি পশু দেখার জন্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্রেতারাও আসা শুরু করেছেন।
নাঈম উদ্দিন এর খামারে দৃষ্টিনন্দন বিশাল আকৃতি গরু ছাড়াও তার খামারে ছোট- মাঝারী মিলিয়ে অনেক কোরবানির পশু প্রস্তুত আছে।
শিক্ষা জীবন শেষ করে চাকুরীর পিছনে না ছুটে ব্যাবসার পাশা-পাশি নিজ উদ্যোগে ভাটিয়ারীর কদম রসূল এর পূর্ব পাশে নিজস্ব জায়গায় গরুর খামারের কার্যক্রম শুরু করেন নাঈম উদ্দিন।
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে আগথেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উন্নত জাতের ষাঁড় গরু সংগ্রহ করেন তিনি।
আর পরে নিজের খামারে সেগুলো এনে যত্ন নিয়ে দেশী প্রাকৃতিক খাদ্য খাইয়ে মোটাতাজা করে তোলেন।
কোনো প্রকার বাইরের খাবার না দিয়ে নিজেদের তৈরি মিশ্রিত খাবার আর কাঁচা ঘাস দেওয়া হয় নাঈম উদ্দিনের খামারে।
বেশ কয়েক বছর ধরে সীতাকুণ্ডে মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টিকারী এই খামারে বিশাল আকৃতির পশু পাওয়া যায় তার খামারে।
তরুণ উদ্যোক্তা নাঈম উদ্দিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে চাকুরীর চেষ্টা না করে ব্যবসার পাশা-পাশি এই গরুর খামার করি। খামারের গরুর প্রতি আমার মায়া বসে গেছে, তাদের যত্নে আমার সময় কেটে দেই।
আমাদের গরুকে কখনও মোটাতাজা করন ঔষধ বা খাবার খাওয়ানো হয় না।
পুষ্টিকর ভালো মানের খাদ্য দেওয়া হয়। তাই আমার খামারের গরু যারা নিয়েছেন, তারা আবার আমার কাছে অর্ডার দেন।
আমি কখনও হাটে গরু নেই না।
খামারে আমার গরু বিক্রি হয়ে যায়। এই বছরে প্রায় অদ্য কোটি টাকারও বেশি পশু বিক্রি করবো বলে আশা করছি।
আমি গরু ক্রেতা থেকে অতিরিক্ত দাম দেবো না নেবো ওনা,কারন আমি সবার কাছে পরিচিত হতে চাই,এইটা আমার নেশা থেকে পেশায় যেতে চাই।
আকার অনেক বড় করতে চাই।
WWW.DESHENEWS24.COM/REGISTRATION NO-52472/2024
Leave a Reply