
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
আপনারা জানেন, আমি আট বছর তিন মাস পাঁচ দিন এক নাগাড়ে জেল থেকে বের হওয়ার পর, চট্টগ্রামের জনগণ, সীতাকুণ্ড এলাকার জনগণসহ আমাকে যেভাবে অভিবাদন জানিয়েছে, আমি আপনাদের মাধ্যমে তাদেরকে কৃতজ্ঞতা এবং ধন্যবাদ জানাই।
আমাদের নির্বাচনের অভিষেক সেখান থেকেই শুরু। এরপর নানা জল্পনা—কল্পনার মাধ্যমে আমি এবার মনোনয়ন পাবো না এই কথা সীতাকুণ্ডের জনগণ কখনো বিশ্বাস করে নাই। তবুও আমাদের দল তেসরা (৩রা) নভেম্বর আমাদের ছোট ভাই কাজী সালাউদ্দিনকে নমিনেশন ডিক্লিয়ার করেছেন।
পরবর্তী পর্যায়ে সীতাকুণ্ড, আকবর শাহ এবং পাহাড়তলী এলাকার জনগণের আকাঙ্খার প্রতি এবং
এবং সবকিছু বিচার বিশ্লেষণ করে আমাকে আবার দল মনোনয়ন দিয়েছে।
আপনারা দেখছেন হয়তো ৩ বা ৪ তারিখের পরও আমি কখনো হতাশ হইনি, আমি হতাশ কোন ব্যক্তি না। আমি জানতাম মনোনয়ন আমি পাব এবং সে হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে আমি এখন লড়ছি, ধানের শীষ প্রতীক।
আমার মনোনয়ন বৈধতা পাওয়া না পাওয়া নিয়েও নানা প্রশ্ন,নানান বাধা এবং সেটা চলমান এবং চলছে। রিটার্নিং অফিসার বৈধ করেছে, নির্বাচন কমিশন বৈধ করেছে। এখনো আমাদের বিরোধী পার্টি জামায়াত আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে, হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্টে লড়ছে। লড়তেই পারে, ভোটের মাঠে না লড়ে তারা আদালতে লড়াটাই বেশি পছন্দ করছে।
কারণ হলো কি? দীর্ঘ আট বছর পাঁচ মাস তিন দিন যদি কোন ব্যক্তির কোন ব্যক্তিকে জেলে রাখা হয়, তাহলে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো কিভাবে চলে; কোন নিয়মে চলার কথা?
আর ব্যাংকে সুদ আট বছর আগে যদি আমার ঋণ পাঁচ লাখ টাকা হয়ে থাকে সেটা আট বছর তিন মাস পর কত টাকা হবে এগুলো আমাদের সাধারণ মানুষগুলো অংক করে বুঝতে পারে না?
কারণ এমনি মানুষ বুঝতে পারে, পাঁচ লাখ টাকা ব্যাংকে রাখলে পাঁচ বছর পরে ১০ লাখ টাকা ডিপোজিট হয়ে জমা টাকা হয়। কিন্তু ঋণের টাকা যারা মানে আমরা যারা ঋণ গ্রহণ করে আমাদের টাকা দিয়ে এই যারা টাকা জমা রাখে তাদেরকে সুদটা দেওয়া হয়, সেজন্য আমাদের থেকে বেশি করে নেয় ব্যাংক।
অর্থাৎ আমার যদি পাঁচ কোটি টাকা ঋণ থাকে সেটা আট বছর তিন মাসে সেটা হবে ১৫ কোটি টাকা। এ প্রক্রিয়াগুলোতে ব্যাংকের হিসাব চলে। এগুলো সাধারণ মানুষ বুঝার কথা না। সাধারণ মানুষকে এসব ব্যাখ্যা দিয়ে লাভ নেই। তাই রিটার্নিং অফিসার আমার বৈধতা দিয়েছে নির্বাচন করার জন্য। নির্বাচন কমিশনও বৈধতা দিয়েছে, তাহলে এটা নিয়ে আর কারো প্রশ্ন থাকার কথা ছিল না।
কিন্তু আমি তো সংগ্রামী মানুষ, সব সময় সংগ্রাম করে যাই। এখনো বলছি—ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন
আসলাম চৌধুরী যদি প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করে বা প্রতিযোগী হিসেবে এই নির্বাচনে না টিকে তাহলে এই নির্বাচন হবে না। এই নির্বাচন হবে না আসলাম চৌধুরী যদি টিকে থাকতে না পারে। এটাই আপনাদের জন্য আজকের সবচেয়ে বড় মেসেজ।
আমরা নিয়ম অনুসারে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করি, করে যাচ্ছি, এখনো করবো এবং ব্যাংক আমাদেরকে বিনিয়োগ করে আমানতকারীদের কে সুদ দিবে, আমানতকারীদেরকে লাভ দিবে।
যারা মনে করেন চাকরিজীবি তারা ব্যাংকে কিছু টাকা জমা করে ফিক্স ডিপোজিট করে এখান থেকে লাভটা পাই। এই লাভটা কার থেকে পাবে? এই আসলাম চৌধুরীর মতো ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করে বলেই, ব্যাংক থেকে ঋণ নেয় বলে, তাহলে ওই আমানতকারীকে সুদটা দিতে পারে। এবং এটার মাধ্যমে সাধারণ মানুষগুলো নরমাল স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে।
সুতরাং আপনারা চিন্তা করবেন না। সব সময় আমি সীতাকুণ্ডের জনগণের পাশে আছি, সব সময় জনগণের পাশে থাকব এবং নির্বাচনের শেষ পর্যন্ত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে আসলাম চৌধুরী আপনাদের দোয়ায় বিজয় হবে—ইনশাআল্লাহ।
তিনি গত মঙ্গলবার রাত ৮ টায়
সীতাকুণ্ড প্রেস ক্লাবের সভাপতি সৈয়দ ফোরকান আব, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল কাইয়ুম চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলের সাথে গতকাল মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরীর বাসভবনে সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও নির্বাচনী বিষয়ে সাক্ষাৎ পরবর্তী সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে চট্টগ্রাম—৪ আসনের সংসদ পদপ্রার্থী জনাব মো. আসলাম চৌধুরী আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এমন বক্তব্য প্রদান করেন।
WWW.DESHENEWS24.COM/REGISTRATION NO-52472/2024
Leave a Reply