শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সীতাকুণ্ডের সলিমপুর জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী ও কর্মী সমাবেশে জেলা সেক্রেটারী মু: আব্দুল জব্বার কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি হলেন সীতাকুণ্ডের ছেলে মুন্না মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় আমদামীকৃত স্ক্যাপ জাহাজ ফেরৎ পাঠানোর উদ্যোগ প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদের আয়োজনে নলুয়া দ্বিজেন্দ্র লাল কারণ উচ্চ বিদ্যালয়ে স্মরণ সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগরে পথসভায় জনসাধারণের সাথে মতবিনিময় করলেন পুলিশ সুপার দাকোপে অসহায় পরিবারের ওপর হামলা, পিতা-পুত্র-কন্যা সহ আহত ৪ একটি কু-চক্রীমহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে, জঙ্গল সলিমপুর নিয়ে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই; আসলাম চৌধুরী। জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে ৬৭,৬৮০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার সমিতির নামে প্রায় ৮০ লাখ টাকা হাতিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছে শংকর পরিবার। চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ডে চতুর্মুখী সংঘর্ষে পথচারী নারী নিহত, আহত অন্তত ৩০
বিজ্ঞপ্তিঃ

সারাদেশে  প্রত্যেক  বিভাগ,জেলা ও উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। যোগাযোগঃ ই-মেইল-Mmdidar7@gmail.com মোবাইলঃWhatsApp&Imo:01878518066 #বিশ্বব্যাপী আপনার প্রতিষ্টান ও পন্যের প্রচার প্রসারে বিজ্ঞাপন দিন

আজ ১ আগষ্ট সীতাকুণ্ডের সর্বশ্রেণীর প্রিয় মানুষ ইন্জিঃ এল কে সিদ্দিকীর ১১ তম মৃত্যু বার্ষিকী

  • আপডেট সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫

কাইয়ুম চৌধুরীঃ

আজ (১ আগস্ট) সীতাকুণবডের সর্বশ্রেণীর মানুষের প্রিয় ব্যক্তি,সকলের শ্রদ্ধাভাজন, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী, জাতীয় সংসদের সাবেক ডেপুটি স্পিকার ইঞ্জিনিয়ার এল কে সিদ্দিকীর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১৪ সালের এই দিনে তিনি সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছিলেন।
১৯৭৯ সালে তৎকালীন চট্টগ্রাম-২(সীতাকুণ্ড) সাধারণ নির্বাচনে তিনি জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, পানিসম্পদ ও বন্যানিয়ন্ত্রণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হন। ১৯৮১-৮২ সময়কালে তিনি সেচ, পানি উন্নয়ন ও বন্যানিয়ন্ত্রণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সালে জাতীয় সংসদের আবারও সদস্য নির্বাচিত হন। এই সংসদে তিনি পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনেও তিনি সাংসদ নির্বাচিত হন এবং ১০ অক্টোবর ২০০১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত পানিসম্পদমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। ১৯৭৯ সালে তিনি জাতিসংঘের ৩৪তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ রেসিডেন্সিয়াল এরিয়া সোশিও কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, আগ্রাবাদ বালিকা বিদ্যালয়, আগ্রাবাদ মহিলা কলেজ, বিজয় সরণি কলেজ এবং সীতাকুণ্ড বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজের প্রতিষ্ঠাতা। তা ছাড়া তিনি ছিলেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের সাবেক সভাপতি।
অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান (১৯৯২-৯৪), রোটারি ডিস্ট্রিক্টের (৩২৮০) গভর্নর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের সদস্য। অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্সের (এই) সাবেক সভাপতি।
এল কে সিদ্দিকীর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো তিনি ছিলেন একজন ভালো মানুষ। এই সমাজে ভালো মানুষের দুর্ভিক্ষ চলছে। এই দুর্ভিক্ষের মরুভূমিতে তিনি ছিলেন মহামূল্যবান, শ্যামলিমায় ঘেরা।
সীতাকুণ্ড উপজেলার ৪নং মুরাদপুর ইউনিয়নের রহমতনগর গ্রামে তিনি শায়িত আছেন।বিনম্র শ্রদ্ধঞ্জলি। আল্লাহতালা উনাকে জান্নাতবাসী করুক।আমিন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

WWW.DESHENEWS24.COM/REGISTRATION NO-52472/2024

Theme Download From ThemesBazar.Com
Translate »