জসিম উদ্দীন ফারুকী,বিশেষ প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে চাঞ্চল্যকর ২ সন্তানের জননী গৃহবধু আয়শা সিদ্দিকা মুক্তার হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে এবং নিহতের দুই শিশুকে উদ্ধারের দাবিতে ভূক্তভোগী অসহায় পরিবারের সদস্যরা সংবাদ সম্মেলন করেছে।
৩ মার্চ (মঙ্গলবার) সকাল ১১টায় উপজেলার বাগিচাহাটস্থ একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর আয়শা সিদ্দিকা মুক্তার সাথে আরিফুল ইসলাম জিফাত এর সামাজিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে মুক্তার স্বামী জিফাত ও তার পরিবারের সদস্যরা যৌতুকের জন্য মুক্তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো। যৌতুকের জন্য ইতিপূর্বে মুক্তাকে একবার ঘর থেকে বের করে দেয়া হয়। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গের মধ্যস্থতায় আসামীগণ আর কোনো ধরনের যৌতুক দাবী করবেনা মর্মে মৌখিকভাবে অঙ্গিকার করে মুক্তাকে ঘরে নিয়ে যায়। কিন্তু তার স্বামী জিফাত ও পরিবারের সদস্যদের চরিত্রের কোনো প্রকার পরিবর্তন হয়নি। সম্প্রতি জিফাত ব্যবসার কথা বলে মুক্তাকে বাপের বাড়ি থেকে ৫ লাখ টাকা ও ইফতার সামগ্রী এতে দিতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে। যৌতুক ও ইফতারের জন্য শারীরিক নির্যাতন করার বিষয়টি মুক্তা ফোনে পরিবারের সদস্যদের জানালে মেয়ের সুখের জন্য কয়েকদিনের মধ্যে তাদের দাবিকৃত যৌতুকের টাকা প্রদানের ব্যবস্তা করার কথাও বলা হয়। কিন্তু গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭ টায় মোবাইলে আমাদের জানানো হয় মুক্তা মারা গেছে। বিষয়টি তৎক্ষনাৎ চন্দনাইশ থানায় অবহিত করে পুলিশসহ গিয়ে দেখা যায় মুক্তার লাশ শ্বশুরবাড়ির খাটের উপরে পড়ে আছে। পরবর্তীতে আশেপাশের লোকজনের দেয়া তথ্যে জানতে পারি ওইদিন ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে তার স্বামী জিফাত ও তার পরিবারের সদস্যরা মুক্তাকে নির্যাতনের পর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে। কিন্তু উক্ত হত্যাকান্ডকে সু-কৌশলে আত্মহত্যায় রূপ দেওয়ার জন্য আমার মেয়ে (ভিকটিম) এর একটি ব্যবহত ওড়না রুমের টীনের চালের বীমের সাথে পেঁচিয়ে রাখে। ঘটনার পর থেকে মুক্তার স্বামী জিফাত ও পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছে।
এব্যাপারে নিহত মুক্তার পিতা মনির আহমদ বাদি হয়ে মেয়ের স্বামী আরিফুল ইসলাম জিফাত (২৯), শ্বশুর মো. হাছান আলী (৫৫), শ্বাশুড়ি মনোয়ারা বেগম (৪৫), ননদ নাদিয়া আকতার (৩২)কে আসামী করে
এব্যাপারে নিহত মুক্তার পিতা মনির আহমদ বাদি হয়ে মেয়ের স্বামী আরিফুল ইসলাম জিফাত (২৯), শ্বশুর মো. হাছান আলী (৫৫), শ্বাশুড়ি মনোয়ারা বেগম (৪৫), ননদ নাদিয়া আকতার (৩২)কে আসামী করে চন্দনাইশ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে আরো ৩/৪ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা যৌতুকের জন্য আয়শা সিদ্দিকা মুক্তাকে হত্যাকারী আরিফুল ইসলাম জিফাতসহ অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য রাখেন নিহত মুক্তার পিতা মনির আহমদ, মা সাজু আকতার, জাহেদ কোম্পানি, অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মো. আবছার, মো. মনজুর মোরশেদ, মো. হাসান, ছোটন, আব্বাস, মো. আবদুল আজিজ, মো. আজাদ, মো. মামুন, মো. আমজাদ, বাবু প্রমূখ।
বিশেষ (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:ছাতক সমিতি সিলেট-এর উদ্যোগে নগরীর অভিজাত রেস্টুরেন্ট হোটেল গ্র্যান্ড আক্তার-এর প্যানোরামা রেস্টুরেন্টে এক…
জগন্নাথপুর প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.বরকত উল্লাহ এর কাছে নানা অভিযোগ তুলে…
জগন্নাথপুর প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থপনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি…
জগন্নাথপুর প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে আলোচিত সানলাইট ভবনকে ঘিরে নানা ঘটনা ঘটছে। জগন্নাথপুর পৌর সদরের আর্চব্রিজের…
কাইয়ুম চৌধুরী,সীতাকুণ্ডঃ বাংলাদেশের জাহাজ পুনর্ব্যবহার শিল্প সম্পর্কে সরাসরি ধারণা নিতে এবং কর্মরত শ্রমিকদের অভ্যন্তরীণ অভিবাসন…
দিদার টুটুলঃ জানা যায়, গত সোমবার সকাল ১১টার সময় পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড দক্ষিণ ইদিলপুর গ্রামের…
This website uses cookies.