“কুড়িগ্রাম, উত্তর ধরলা প্রতিনিধি”
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নে তিন সন্তানের জননী এক গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী বাবলু মিয়া পলাতক থাকায় হত্যাকাণ্ডটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার দিবাগত রাতে ভিতরবন্দ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বানিয়ার ভিটা গ্রামে এ নৃশংস ঘটনা ঘটে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে ঘরের ভেতর থেকে ওই গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত মহিমা বেগম (৩৫) ওই এলাকার আবুল হোসেনের ভাগিনা বাবলু মিয়ার স্ত্রী। তিনি এক মেয়ে ও দুই ছেলের জননী। এর মধ্যে এক ছেলে ও এক মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন তিনি। মরদেহের গলায় ধারালো অস্ত্রের গভীর ক্ষতচিহ্ন পাওয়া গেছে, যা থেকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের আশঙ্কা করছে পুলিশ।
প্রতিবেশী ও স্বজনদের ভাষ্যমতে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রকাশ্য কোনো বিরোধ ছিল না। তারা দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে মাছের ব্যবসা করতেন এবং পারিবারিকভাবে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছিলেন।
তবে স্থানীয়দের একাংশের ধারণা, এই হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত থাকতে পারে। কেউ কেউ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, ঘটনার সময় বাবলু মিয়াকেও তুলে নিয়ে যাওয়া হতে পারে অথবা তার সঙ্গেও কোনো অঘটন ঘটতে পারে। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য নিশ্চিত হয়নি।
খবর পেয়ে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ হিল জামান জানান, এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড। ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে, মামলা প্রক্রিয়াধীন।
এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। দ্রুত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
WWW.DESHENEWS24.COM/REGISTRATION NO-52472/2024
Leave a Reply