সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সীতাকুণ্ড আবুল খায়ের ষ্টীল মিলে ডাকাতি কালে তিন ডাকাত আটক সীতাকুণ্ডে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ১১ দলের বিক্ষোভ মিছিল কুমিরায় পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে সংখ্যালঘু পরিবারের তিন সদস্যকে ছুড়ি দিয়ে কুপিয়ে জখম,চমেকে ভর্তি সীতাকুণ্ডে চাঁদা না দেওয়ায় আবাসিক হোটেল ও বাজার কমিটির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ । সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে বাইক দূর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু সীতাকুণ্ডে আরো এক যুবক খুন! দুই মাসে চার যুবককে হত্যা! সীতাকুণ্ডে কারখানার ছাউনীর টিন পড়ে দুই শ্রমিক নিহত বাড়বকুন্ডের কিশোর শাহেদকে ৯ দিন ধরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা সীতাকুণ্ড জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ, ২০২৬ উদ্ভোধন শিপ রিসাইক্লিং শিল্পের উন্নয়নে মন্ত্রীর আশ্বাস, বাংলাদেশ এখন ‘গ্রিন ইয়ার্ড’-এ বিশ্বে অগ্রগামী
বিজ্ঞপ্তিঃ

সারাদেশে  প্রত্যেক  বিভাগ,জেলা ও উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। যোগাযোগঃ ই-মেইল-Mmdidar7@gmail.com মোবাইলঃWhatsApp&Imo:01878518066 #বিশ্বব্যাপী আপনার প্রতিষ্টান ও পন্যের প্রচার প্রসারে বিজ্ঞাপন দিন

পুজোয় কষ্টের মাধ্যমে প্রদর্শিত হয় ভক্তি, জেনে নিন চড়কের রীতিনীতি সম্পর্কে

  • আপডেট সময়ঃ সোমবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৫

স্বপন কুমার রায়ঃ

বাংলার উৎসবগুলির মধ্যে আরেকটি অন্যতম উৎসব হল চড়ক পুজো। এই চড়ক পুজো পালিত হয় চৈত্র সংক্রান্তির দিন। তবে এই উৎসব কিন্তু একদিনে শেষ হয় না, বৈশাখ মাসের প্রথম দু তিন দিন ধরে চলে এই চরক পুজোর উৎসব। গাজন উৎসবের একদম শেষে আসে এই চড়ক পুজো।
চড়ক পুজো উপলক্ষে বিভিন্ন জায়গায় চড়কের মেলা বসে। চড়কের মেলা বাংলার বিভিন্ন জায়গায় প্রাচীন মেলা হিসেবে বিখ্যাত। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ অনুসারে শিব ঠাকুরের আরাধনার জন্য বিভিন্ন জায়গায় চৈত্র মাসে নাচ গানের উৎসব করা হয়ে থাকে। এই পুরাণ থেকেই জানা যায় চড়ক পুজোর ইতিহাস সম্পর্কে।
প্রাচীন কাহিনি অনুসারে দ্বারকার রাজা শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে ভগবান শিবের একনিষ্ঠ ভক্ত বাণ রাজার যুদ্ধ হয়েছিল। এই যুদ্ধে ভোলেনাথের কৃপা পেয়ে অমরত্ব লাভের জন্য বাণ রাজা নিজের শরীরের রক্ত দিয়ে মহাদেবকে তুষ্ট করেছিলেন এবং ভক্তিমূলক নাচ গান করেছিলেন ভোলেনাথের উদ্দেশ্যে। এই সময় থেকেই মূলত চড়ক পুজোর শুরু।
এই উৎসবে মূলত শরীরে আঘাত করে ভগবান ভোলেনাথ কে তুষ্ট করার প্রথা রয়েছে যা চড়ক পুজোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এই পুজোয় কখনো জ্বলন্ত কয়লার উপর দিয়ে হাঁটা কিংবা ছুরি বা কাটার উপর দিয়ে লাফানো, শরীরে বাণ বিদ্ধ করে চড়ক গাছে ঝোলা ইত্যাদি এই পুজোর সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী ভাবে যুক্ত।
শ্রীকৃষ্ণ ও বাণ রাজার যুদ্ধের পর পরবর্তীকালে ১৪৮৫ সালে রাজা সুন্দরানন্দ ঠাকুর এই পুজোর প্রচলন করেছিলেন বলে অনেকে মনে করে থাকেন। সেই সময় থেকেই মূলত শিবের ভক্ত অর্থাৎ শৈব সম্প্রদায়ের মানুষজন এই উৎসব পালন করে চলেছেন। মনে করা হয় প্রাচীন কৌম সমাজের প্রচলিত নরবলির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত এই পুজোর রীতিনীতির। ব্রিটিশ সরকার এই পুজোর নিষ্ঠুর রীতিনীতির কারণে বন্ধ করে দিয়েছিলেন এই পুজো আইন প্রণয়ন করে। কিন্তু আজও গ্রামবাংলায় নিয়ম নীতি অনুসারে পালিত হয় এই চড়কের পুজো।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

WWW.DESHENEWS24.COM/REGISTRATION NO-52472/2024

Theme Download From ThemesBazar.Com
Translate »