
বিদ্যালয় হলো শিক্ষা-দীক্ষা এবং জ্ঞান অর্জনের তীর্থশালা। এখানে যা কিছু শেখানো হয়, তা ভবিষ্যৎ জীবনের স্তম্ভ হিসেবে পরিগণিত হয়। যেকোনো ধর্মই মানুষকে সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষা দেয়। সুতরাং, ধর্মীয় অনুশাসন মেনে যে শিক্ষা গ্রহণ করা হয়, তা বাস্তবিক অর্থেই ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রীয় জীবনে অধিকতর ইতিবাচক প্রভাব রাখে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক যুগ্ম-মহাসচিব আসলাম চৌধুরী।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুরের ফৌজদারহাটস্থ কে এম হাই স্কুলে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন, কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা এবং বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আসলাম চৌধুরী বলেন, “যারা ভালো ফলাফল করেছে, তাদেরকে আরও ভালো করতে হবে। যারা একটু কম ভালো করেছে, তাদেরকে আরও জোরালো প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থী, পরিবার ও বিদ্যালয়—এই তিনের সমন্বয় ঘটাতে হবে। লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও অনুশাসন মানার ক্ষেত্রে আগ্রহী করে তুলতে হবে। ঈদে মিলাদুন্নবীর শিক্ষা ও আদর্শ অনুসরণ করা গেলে কোনো শিক্ষার্থীর পক্ষেই বিপথগামী হওয়ার সুযোগ নেই।”
তিনি আরও বলেন, “অত্র বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে নিজের অধিকার ও আবদার অনেক বেশি। এই প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রসারের সাথে যেমন যুক্ত হতে হবে, তেমনি এর নেতিবাচক দিকগুলোও সচেতনভাবে এড়িয়ে চলতে হবে। বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে আমার সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।”
কে এম হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও চট্টগ্রাম চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি আমজাদ হোসেন চৌধুরী।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোহাম্মদ মোরসালিন, যুগ্ম-আহ্বায়ক সালামত উল্ল্যাহ সালাম, বিএনপি নেতা সাইফুল হুদা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, খম নাজিম উদ্দিন, আবুল হাশেম, জাহেদুল হাসান, আশরাফ আলী মেম্বার, তারেক হোসেন প্রমুখ।
WWW.DESHENEWS24.COM/REGISTRATION NO-52472/2024
Leave a Reply