
নিজস্ব প্রতিনিধি:
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। একইসঙ্গে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়টি পুরোপুরি নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এই ঘোষণা দেন। তিনি জানান, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার অধীন ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং সিটি কর্পোরেশনের কোনো স্তরের নির্বাচনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সংক্রান্ত বিভ্রান্তি দূর করতেই এই আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।
আইনগত চিত্র ও বর্তমান বিধান
শিক্ষকদের অংশগ্রহণের ধোঁয়াশা
এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। ইসি প্রচলিত আইন, স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা পর্যালোচনা করে পরবর্তীতে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করবে।
জনমত ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া
এই ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। সাধারণ সচেতন নাগরিকদের একাংশের মতে, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর স্থানীয় সরকার পরিচালনার জন্য জনপ্রতিনিধিদের একটি নির্দিষ্ট মাত্রার শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা জরুরি। শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত না থাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা বিতর্কিত ব্যাকগ্রাউন্ডের প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়ে যান—এমন সমালোচনাও রয়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূলের সুশাসন বিশ্লেষকরা মনে করেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধ্যতামূলক না থাকলেও জনপ্রতিনিধিদের নেতৃত্বের গুণাবলী, সততা ও জনসেবার মানসিকতা সবচেয়ে বড় নিয়ামক হওয়া উচিত।
WWW.DESHENEWS24.COM/REGISTRATION NO-52472/2024
Leave a Reply