জগন্নাথপুর প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে হাওরের ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও মেরামত কাজ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কর্মকর্তা শেখ ফরিদ অবস্থান নিয়ে সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করেছেন। শুধুমাত্র পিআইসিদের মাঝে চেক বিতরণ করতে না পারায় এসও শেখ ফরিদ ক্ষুব্দ হন এবং এতো বড় মিথ্যাচার করেছেন। তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো বরকত উল্লাহ, চিলাউড়া-হলিদপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো.শাহিদুল ইসলাম বকুল ও কয়েকটি পিআইসিকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশে কতিপয় সাংবাদিককে প্ররোচিত করেছেন।
এ ঘটনায় জগন্নাথপুর পাউবো কর্মকর্তা (এসও) শেখ ফরিদকে গত ৯ মার্চ শোকজ করেছেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ইরফানুল ইসলাম। এতে বলা হয়, সংশোধিত কাবিটা নীতিমালা ২০২৩ এর আওতায় জগন্নাথপুর উপজেলায় বাস্তবায়নধীন ডুবন্ত বাঁধের ভাঙন বন্ধকরণ/মেরামত কাজসমূহ সময়মতো ও সুষ্টুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
এ প্রেক্ষিতে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রতীয়মান হচ্ছে যে, আপনি শেখ ফরিদ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় কর্তৃক আর্থিক সুবিধা গ্রহণসহ অনৈতিক কার্যক্রম সংঘটিত হচ্ছে মর্মে সংবাদ মাধ্যমে মন্তব্য করে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। এছাড়া এ সংক্রান্ত বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের জন্য কতিপয় সাংবাদিককে প্ররোচিত করেছেন। আপনার এ ধরণের কর্মকান্ডের ফলে সংশ্লিষ্ট কাজ সম্পর্কে অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে এবং স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সাথে সমন্বয় বিঘিœত হয়ে চলমান কাজ বাস্তবায়নে সমস্যা সৃস্টি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে এ ধরণের মন্তব্য, অভিযোগ বা বক্তব্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত না করে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করা দাপ্তরিক শৃঙ্খলা, পেশাগত দায়িত্ববোধ ও সরকারি কর্মচারীদের আচরণবিধি পরিপন্থী। এতে প্রতিষ্ঠানের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয় এবং মাঠ পর্যায়ে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এমতাবস্থায়, কেন আপনার বিরুদ্ধে উক্ত কর্মকান্ডের জন্য চাকুরী বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে না-মর্মে পত্র প্রাপ্তির তারিখ হতে আগামী ৭ দিনের মধ্যে সন্তোষজনক কারণ দর্শানোর জন্য আপনাকে নির্দেশ প্রদান করা হলো। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপনার লিখিত ব্যাখা প্রাপ্ত না হলে এ বিষয়ে আপনার কোনো বক্তব্য নেই মর্মে গণ্য করে বিধি মোতাবেক পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
যার অনুলিপি তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পাউবো সিলেট সার্কেল, নির্বাহী প্রকৌশলী সুনামগঞ্জ ও জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে প্রদান করা হয়েছে। এদিকে-এ বিষয়টি জানাজানি হলে জগন্নাথপুরে ভূক্তভোগী জনপ্রতিনিধি, পিআইসি কমিটির লোকজনসহ জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং ঘটনার আসল সত্য উন্মোচন হয়েছে।
স্বপন কুমার রায়- ‘২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ২০২৬’ পালন এবং ‘২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও…
কাইয়ুম চৌধুরী, সীতাকুণ্ডঃ চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ডের উপকূলীয় এলাকায় সন্ধীপ চ্যানেল থেকে অর্ধশতাধিক অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে হুমকীর…
জসিম উদ্দীন ফারুকী, বিশেষ প্রতিনিধিঃ পবিত্র রমজানে চাহিদা বেশি থাকায় ভোক্তা পর্যায়ে চড়া দমে বিক্রি…
জসিম উদ্দীন ফারুকী, বিশেষ প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার পুরানগড় ইউনিয়ন পরিষদের পলাতক চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম…
সীতাকুণ্ড প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ড পৌর পন্হিছিলাস্হ বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি সংসদে স্হানীয় এক মন্ত্রাসী হামলা…
জগন্নাথপুর প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস এবং ২৬ মার্চ মহান…
This website uses cookies.