জগন্নাথপুর প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে আলোচিত সানলাইট ভবনকে ঘিরে নানা ঘটনা ঘটছে। জগন্নাথপুর পৌর সদরের আর্চব্রিজের পশ্চিমপাড়ে অবস্থিত সানলাইট আবাসিক ভবন। নলজুর নদীপাড়ে গড়ে উঠা সানলাইট ভবনের পাশে নদীতে বসানো হয় ডিপ টিউবওয়েল।
এসব নানা অসংগতি নিয়ে কর্তব্যের খাতিরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ কাভার করতে গিয়ে ৩ সাংবাদিক মামলার শিকার হয়েছেন। ফলে বর্তমানে জগন্নাথপুরের আলোচিত ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে সানলাইট ভবন। এ ভবনের মালিক হচ্ছেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী ছোট মিয়া। তাঁর অর্বতমানে দায়িত্বে রয়েছেন মিজানুর রহমান সিপন ও মনির মিয়া। এসব বিষয় নিয়ে তাদের সাথে কথা হয়। তারা জানান, এটি নদীপাড়ে হলেও আমাদের মালিকানা ৭ শতক জায়গার উপর নির্মিত হয়েছে। এতে কোন সমস্যা নেই। এক প্রশ্নের জবাবে মিজানুর রহমান সিপন ও মনির মিয়া বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগ চাইলেই আমরা ভবনের সামনের অংশ অপসারন করে দেবো। সরকারি কোন কাজে আমরা বাঁধা হবো না। তবে আমাদের যেন অযথা হয়রানী করা না হয়। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের বিষয়টি তারা জবাব না দিয়ে এড়িয়ে যান।
এ বিষয়ে (৯ মার্চ) সোমবার জগন্নাথপুর উপজেলা আবাসিক প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) আজিজুল ইসলাম আজাদ বলেন, প্রথমে সানলাইট মালিকপক্ষ নানাভাবে অসহযোগিতা করেন। এখন তারা বলছেন, বিদ্যুৎ লাইনের রাইট অব ওয়ে দখল করে সম্প্রসারিত অবৈধ ভবনের অংশ অপসারণ করে দেবেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আশা করছি, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই এখানে বিদ্যুৎ লাইনের কাজ শুরু হবে।
জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) সোহরাব হোসেন জানান, এলজিইডি কর্তৃক নির্মানাধীন আর্চ ব্রিজের পশ্চিম এপ্রোচের সাইড স্লোপের উপর সানলাইট ভবনের স্থায়ী কাঠামো অপসারণের জন্য বলা হয়েছে। জগন্নাথপুর পৌরসভার প্রকৌশলী সতীশ গোস্বামী জানান, জগন্নাথপুর পৌরসভা হওয়ার আগেই নির্মিত হয় সানলাইট ভবন। তবে পরে তৃতীয়তলা ভবন নির্মাণকালে অনুমতি চাইলেও দেয়া হয়নি। এখানে সরকার জড়িত থাকায় অনুমোদন দেয়া সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়রা দাবি তুলেছেন সানলাইট ভবনকে ঘিরে আসল সত্যটা কি সবাই জানতে চায়। এসব বিষয় নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিক রিয়াজ রহমান, হিফজুর রহমান তালুকদার জিয়া ও আবদুল ওয়াহিদকে আসামী করে সানলাইট কর্তৃপক্ষ মামলা দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের পক্ষে আবদুল ওয়াহিদ জানান, আমাদের উপর মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। বর্তমানে বিষয়টি আপোষে নিস্পত্তির প্রক্রিয়া চলমান।
WWW.DESHENEWS24.COM/REGISTRATION NO-52472/2024
Leave a Reply