জসিম উদ্দীন ফারুকী বিশেষ প্রতিনিধিঃ
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দুই পৌরসভা ও আট ইউনিয়নের মধ্যে সবচেয়ে দুর্গম ধোপাছড়ি ইউনিয়নটি নদী, পাহাড় ও সমতলের সংমিশ্রণ হওয়ায় পর্যটন এলাকা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এই ইউনিয়নে যুগ যুগ ধরে একসাথে বসবাস করে আসছে বাঙালি, মারমা, ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকজন। সড়ক যোগাযোগের অপ্রতুলতায় ইউনিয়নটি পিছিয়ে রয়েছে।
ধোপাছড়ি ইউনিয়নের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত ধোপাছড়ি খালের জলধারা এই ইউনিয়নের মানুষকে দুইভাগে বিভক্ত করে রেখেছে যুগের পর যুগ। পাহাড় থেকে সৃষ্টি হয়ে খালটি মিশেছে খরস্রোতা শঙ্খ নদীর সাথে। খালটি দিয়ে প্রতি বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢলের পানি তীব্র গতিতে প্রবেশ করে শঙ্খ নদীতে। বাঁশের সাঁকোতেই ঝুঁকিপূর্ণভাবে খালটি পারাপার করতে হতো ইউনিয়নের ১ নম্বর ও ২ নম্বর ওয়ার্ড শঙ্খকুল, চেমিরমুখ এলাকার প্রায় আড়াই শতাধিক পরিবারসহ দুই পাড়ের সহস্রাধিক মানুষকে।
২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে চন্দনাইশ উপজেলা পরিষদ থেকে ১৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়ে ১০০ মিটার লম্বা ও ৭ ফুট প্রস্থের একটি দৃষ্টিনন্দন কাঠের সেতু নির্মাণ করা হয়। তখন থেকেই সেতুটি দিয়ে মানুষ পায়ে হেঁটে পারাপারসহ মোটর সাইকেল, সিএনজি চালিত অটোরিকশা, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা, টমটমসহ ছোট ছোট যানবাহন অবাধে চলাচল করছিলো।
গত ২০ মে অবিরাম বর্ষণে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তোড়ে স্বপ্নের সেতুটির মধ্যখান বরাবর ভেঙে যায়। এতে আবারো সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে শঙ্খকুল ও চেমিরমুখ এলাকার বাসিন্দারা। হাজারো মানুষের যাতায়াতের একমাত্র কাঠের সেতু ভেঙে পড়ে থাকার ফলে যোগাযোগব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন স্কুল, কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী সহ স্থানীয় জনসাধারণ।
অবশেষে সম্প্রতি ভাঙা কাঠের সেতুটি পরিদর্শন করেছেন চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা পরিষদের প্রশাসক মো. রাজিব হোসেন। পরিদর্শনকালে তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন চন্দনাইশ আর্মি ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মো. ফজলে রাব্বি, ধোপাছড়ি ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লতিফা আক্তার, সাংবাদিক জাবের বিন রহমান আরজু, ওসমান চৌধুরী, ইউপি সদস্য টিপু দাস, বিএনপি নেতা রুবেল, ধোপাছড়ি বাজার কমিটির সভাপতি আানিছুর রহমান, ডা. দুলাল নাথ সহ স্থানীয় জনতা। এসময় তিনি স্থানীয়দের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য ভাঙা কাঠের সেতুটি দ্রুত মেরামতের আশ্বাস দেন ।
এবিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রাজিব হোসেন বলেন, “উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাহবুব আলম শাওন ভুঁইয়া আজকে (রবিবার) এস্টিমেট করার জন্য ধোপাছড়িতে ভাঙা সেতুটি পরিদর্শন করতে গেছেন। এরপর আমরা একটা মিটিং করে কিভাবে ভালোভাবে কাজটি সম্পন্ন করা যায় সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে মেরামত কাজটি দ্রুত শুরু করবো।”
জসিম উদ্দীন ফারুকী, বিশেষ প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের চন্দনাইশের দক্ষিণ বৈলতলীতে ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের…
কাইয়ুম চৌধুরী, সীতাকুণ্ডঃ তৃণমূল ও জাতীয় পর্যায়ে সৎ, যোগ্য ও আদর্শিক নেতৃত্বের জন্য দেশবাসী থাকিয়ে…
দিদার টুটুলঃ সীতাকুণ্ডের কৃতি সন্তান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রনেতা ফেরদৌস আহমেদ মুন্না বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী…
কাইয়ুম চৌধুরী, সীতাকুণ্ডঃ পুরাতন জাহাজ ব্যবসায়ী শওকত আলী চৌধুরী হংকং থেকে আমদামী করা পুরাতন জাহাজ…
বিশেষ প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়াস্থ নলুয়া দ্বিজেন্দ্র লাল কারণ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদের উদ্যোগে…
কাইয়ুম চৌধুরী, সীতাকুণ্ডঃ বুধবার ( ০৩ জুন) সন্ধ্যা ৭ টায় চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড থানাধীন জঙ্গল…
This website uses cookies.