শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
জগন্নাথপুরে ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদ, জরিমানা আদায় স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ পিএইচপি কোরআনের আলো প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন হাফেজ মুনতাহা,বিজয়ীদের জন্য রয়েছে অর্থ পুরস্কার ও উমরাহর সুযোগ তারাবীহর হাদিয়া বলে টাকা উঠিয়ে অল্প কিছু টাকা ইমামকে দিয়ে বাকি টাকা মসজিদ ফান্ডে রাখা একধরনের অন্যায়, খেয়ানত,প্রতারণা শঙ্খ নদী থেকে অবাধে তুলছে বালু, ঝুঁকিতে খোদারহাট ব্রীজ সীতাকুণ্ড সাবেক ছাত্রদল ফোরামের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সীতাকুণ্ড প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল সম্পন্ন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় মনিরুল হাসান বাপ্পীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। ছাতকের ভাতগাঁওয়ে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে মুক্তিযোদ্ধা পুত্রের বাড়িঘর ভাংচুর করে উল্লাস
বিজ্ঞপ্তিঃ

সারাদেশে  প্রত্যেক  বিভাগ,জেলা ও উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। যোগাযোগঃ ই-মেইল-Mmdidar7@gmail.com মোবাইলঃWhatsApp&Imo:01878518066 #বিশ্বব্যাপী আপনার প্রতিষ্টান ও পন্যের প্রচার প্রসারে বিজ্ঞাপন দিন

সুনামগঞ্জের ছাতক কংক্রিট স্লিপার কারখানার উৎপাদন বন্ধ, জনবল সংকট ও কর্মকর্তাদের উদাসীনতায় মুখ থুবড়ে পড়েছে দেশের একমাত্র সরকারি কারখানা

  • আপডেট সময়ঃ সোমবার, ২১ জুলাই, ২০২৫

নিউজ ডেস্কঃ

বাংলাদেশ রেলওয়ের অধীন সুনামগঞ্জের ছাতকের কংক্রিট স্লিপার কারখানাটি বর্তমানে উৎপাদনহীন অবস্থায় পড়ে আছে। বছরের অধিকাংশ সময়ই কারখানাটি বন্ধ থাকে। একাধিকবার সীমিত পরিসরে চালু হলেও তা বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। অব্যবস্থাপনা, জনবল সংকট ও কর্তৃপক্ষের চরম উদাসীনতার ফলে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ এই সরকারি শিল্প প্রতিষ্ঠানটি কার্যত অচল।

ছাতক রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত মাত্র দুইবার কারখানাটি চালু করা সম্ভব হয়েছে। প্রথমবার ২ ফেব্রুয়ারি চালু হওয়ার পর ২৭ ফেব্রুয়ারি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এটি বন্ধ হয়ে যায়। দ্বিতীয় দফায় ৪ মে শুরু হলেও কাঁচামালের অভাবে ২৯ মে পুনরায় বন্ধ হয়ে পড়ে।

কারখানাটিতে জনবল সংকট অত্যন্ত ভয়াবহ। ওয়েল্ডার গ্রেড-১, লাইনম্যান, মেশিন অপারেটর, ল্যাব সহকারী, গাড়িচালক, স্টোর টেন্ডার, নিরাপত্তাকর্মী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ অন্তত ২০টির বেশি গুরুত্বপূর্ণ পদ রয়েছে শূন্য। এতে উৎপাদন সচল রাখা দুরূহ হয়ে পড়েছে।

দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারাও নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিত থাকেন না। বিদ্যুৎ বিভাগের ফোরম্যান পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান খান দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন, তবে নিয়মিত বেতন-ভাতা গ্রহণ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অপরদিকে কারখানার উর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাকির হোসেন খান অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন। জানা গেছে, তিনি মাসে একবার এসে রাত্রিযাপন করে চলে যান।

১৯৮৮ সালের ২৭ অক্টোবর ছাতক কংক্রিট স্লিপার কারখানার যাত্রা শুরু হয় দৈনিক ২৬৪টি স্লিপার উৎপাদন ক্ষমতা নিয়ে। কাঠের স্লিপারের গড় আয়ু ১০ বছর হলেও কংক্রিট স্লিপারের আয়ু প্রায় ৫০ বছর। রেললাইনকে আরও টেকসই, মজবুত ও নিরাপদ করতে তৎকালীন সরকার দেশের একমাত্র এই কংক্রিট স্লিপার প্ল্যান্টটি ছাতকে স্থাপন করে।

প্রথমদিকে উৎপাদন সচল থাকলেও ২০০০ সালের পর থেকে নানা অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে উৎপাদনে ধস নামে। মাঝে মধ্যে ২০১২, ২০১৪, ২০১৬ ও ২০২০ সালে এটি আংশিকভাবে চালু হলেও টিকেনি বেশিদিন। বর্তমানে প্ল্যান্টটি পুরোপুরি অচল অবস্থায় রয়েছে।

এ বিষয়ে রেলওয়ে সিলেট বিভাগের সিনিয়র সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী (ছাতক দায়িত্বপ্রাপ্ত) আজমাঈন মাহতাব জানান, সাময়িক কিছু সমস্যার কারণে প্ল্যান্টটি বন্ধ রয়েছে।
অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় প্রকৌশলী-২ ও ছাতক বাজারের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিব বলেন, কারখানাটি খুব শিগগিরই পুনরায় উৎপাদনে যাবে বলে আমরা আশাবাদী।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

WWW.DESHENEWS24.COM/REGISTRATION NO-52472/2024

Theme Download From ThemesBazar.Com
Translate »