কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার চরুয়াটারি এলাকায় স্বামী-স্ত্রীর পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে মাত্র সাত দিন বয়সী এক নবজাতক মায়ের কোল থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শিশুটির মা জাহানারা বেগম জানান, ২৩ মে শুক্রবার ভোরে বাথরুমে যাওয়ার সময় তিনি তার সন্তানকে স্বামীর কাছে রেখে যান। ফিরে এসে দেখেন স্বামী নূর মোহাম্মদ নবজাতক সন্তানকে নিয়ে বাড়ি থেকে চলে গেছেন।
ঘটনার সূত্রে জানা যায়, নূর মোহাম্মদ শিশুটিকে নিয়ে যান তার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী আসমাউল হুসনা আসার কাছে এবং শিশুটিকে তার জিম্মায় তুলে দেন। তবে আসমাউল হুসনা গণমাধ্যমে দাবি করেন, শিশুটির পরিচয় তিনি জানেন না এবং কেউ তাকে শিশু তুলে দেয়নি।
জাহানারা বেগম জানান, সন্তানের খোঁজ করতে গিয়ে তিনি নিস্তেজ হয়ে পড়েন। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ছবির সূত্র ধরে তিনি নিশ্চিত হন যে ছবিতে থাকা শিশুটি তার সন্তান। এরপর রাতেই তিনি ছুটে যান ভুরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সেখানে গিয়ে সন্তান ফেরত চাইলে বর্তমানে যার কাছে শিশু আছে তিনি তা দিতে অস্বীকার করেন।
জাহানারা বেগম আরও বলেন, “আমি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাই। আমি শুধু আমার বাচ্চাটাকে ফিরে পেতে চাই।”
এ ঘটনায় নূর মোহাম্মদ স্বীকার করেছেন যে, তিনি শিশুটিকে তার সাবেক স্ত্রী আসমাউল হুসনার কাছে দিয়ে এসেছেন।
এ বিষয়ে ভুরুঙ্গামারী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শামসুজ্জামান বলেন, “শিশুটির তথ্য পেয়ে আমরা রাতেই তাকে মেডিকেলে ভর্তি করি। তদন্ত শেষে শিশুটিকে তার প্রকৃত মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সীতাকুণ্ড প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ডের কুমিরা রেল কোয়াটারে এক সংল্যালঘু পরিবারের তিন সদস্যকে কুপিয়ে মারাত্বক জখম…
সীতাকুণ্ড(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ সীতাকুণ্ডে আবাসিক সাইমুন হোটেল সহ বিভিন্ন বাজার ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদা চেয়ে না পেয়ে…
কাইয়ুম চৌধুরী সীতাকুণ্ড ( চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন উপজেলার…
কাইয়ুম চৌধুরী, সীতাকুণ্ডঃ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার মুরাদপুরে আরো এক যুবক কে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা,…
কাইয়ুম চৌধুরী,সীতাকুণ্ড প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বারআউলিয়ায় একটি কারখানায় কাজ করার সময় ছাউনীর শেড ভেঙে পড়ে…
সীতাকুণ্ড প্রতিনিধিঃ সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড হাসেম নগরের আনোয়ার শাহেদ ভূঁইয়া,মা মাহিনা আক্তার লিপির ছেলে সায়েম শাহেদ…
This website uses cookies.