কাইয়ুম চৌধুরী:
চট্টগ্রাম: নগরীর খুলশী থানার আমবাগান এলাকায় নিজ বাসা থেকে হিজড়া জনগোষ্ঠীর একাংশের গুরু মা হিসেবে পরিচিত মৌসুমীর (৪০) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত মৌসুমীর মুখমণ্ডল বিকৃত, মুখ দিয়ে রক্ত পড়া, জিহ্বা বের হওয়া এবং গলায় ও হাতে আঘাতের স্পষ্ট কালো দাগ লক্ষ্য করেছে পুলিশ। প্রাথমিক আলামত দেখে পুলিশের ধারণা, তাকে শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, আমবাগানের বাসা থেকে দুর্গন্ধ ও সন্দেহজনক পরিস্থিতি টের পেয়ে স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের শরীরের ক্ষত ও সুরতহাল প্রতিবেদন পর্যবেক্ষণ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মনে করছে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
হত্যাকাণ্ডের পর খবর পেয়ে খুলশী থানা পুলিশ ও অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থل পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করতে এবং হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদ্ঘাটনে ইতোমধ্যেই জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে। পুলিশ আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করছে এবং স্থানীয়দের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করছে।
নগরীর হিজড়া সম্প্রদায়ের অন্যতম পরিচিত মুখ মৌসুমীর এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে স্থানীয় হিজড়া জনগোষ্ঠীর মধ্যে চরম শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা এ ঘটনার দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
খুলনা সংবাদদাতা: খুলনার দাকোপের ঐতিহ্যবাহী বাজুয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৫ সেপ্টেম্বর…
মো: দিদারুল আলম (দিদার) সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গুণগত মান বৃদ্ধি এবং…
নিজস্ব প্রতিবেদক: গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, সব গণহত্যার বিচার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে বাংলাদেশ…
নিজস্ব প্রতিবেদক: কুখ্যাত সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান কোনো ধরনের রিমান্ড ছাড়াই নিজ মুখে প্রায়…
সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট…
কাইয়ুম চৌধুরী, সীতাকুণ্ড: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট কমাতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে…
This website uses cookies.