শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সীতাকুণ্ড হোটেল মালিক সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে জিডি সীতাকুণ্ডে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল অজ্ঞাত পথচারীর সীতাকুণ্ডে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২ সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ডে মাইক্রোবাস দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ৪ “ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার” — আসলাম চৌধুরী এফসিএ সীতাকুণ্ডে অবৈধ বালু তোলা কেন্দ্রিক দ্বন্দ্বে যুবদল কর্মী হত্যা: সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ডে গুলিতে বাপ্পি নিহত, আহত শাওন সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে নগরীতে আনন্দ মিছিল চট্টগ্রামের সাগরপাড়ে রাতের আঁধারে ‘নামধারী সাংবাদিকদের’ সমাগম: সাংবাদিকতা নাকি অপরাধের ঢাল? সীতাকুণ্ডে ৭৪টি মণ্ডপে ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে উৎসব শুরু
বিজ্ঞপ্তিঃ

সারাদেশে  প্রত্যেক  বিভাগ,জেলা ও উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। যোগাযোগঃ ই-মেইল-Mmdidar7@gmail.com মোবাইলঃWhatsApp&Imo:01878518066 #বিশ্বব্যাপী আপনার প্রতিষ্টান ও পন্যের প্রচার প্রসারে বিজ্ঞাপন দিন

খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ: নিয়োগে অনিয়ম ও পারিবারিক উত্তরাধিকারের অভিযোগ

  • আপডেট সময়ঃ রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

 কাইয়ুম চৌধুরী:

​খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদকে ঘিরে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, জেলা পরিষদ ক্রমেই একটি ‘পারিবারিক উত্তরাধিকার প্রতিষ্ঠানে’ পরিণত হচ্ছে। পছন্দের লোকজন ও আত্মীয়-স্বজনদের চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। খোদ জেলা পরিষদের সদস্যদের মধ্যেই এ নিয়ে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

​নিয়োগে স্বজনপ্রীতির চিত্র

অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল রাজ্জাক অবসরে যাওয়ার আগে তার ছেলে রিয়াজুর রহমান রনিকে ‘অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর’ পদে নিয়োগ নিশ্চিত করেন। একইভাবে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) প্রীতি ত্রিপুরাকে ‘অফিস সহকারী’ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরিবারতন্ত্রের নজির হিসেবে দেখা গেছে, অফিস সহায়ক চন্দন কুমার সরকার ও তার স্ত্রী রতনা রানী সরকার আগে থেকেই কর্মরত আছেন; এবার তাদের ছেলে জয় কুমার সরকারকেও ‘অফিস সহকারী’ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া হর্টিকালচার পার্কে চেয়ারম্যানের দুই আত্মীয়কে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

​কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও বিতর্ক

এ বিষয়ে খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, “আমি কুফুল চান ত্রিপুরা নামে একজনকে নিয়োগের সুপারিশ করেছিলাম, কিন্তু জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আমার সুপারিশ রাখেননি। অথচ আত্মীয়-স্বজনদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মাস্টার রোলে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, যা জেলা পরিষদকে একটি পারিবারিক প্রতিষ্ঠানে রূপ দিয়েছে।”

​জেলা পরিষদ সদস্যদের অভিযোগ, নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয় না। এ প্রসঙ্গে জেলা পরিষদ সদস্য নিটোল মনি চাকমা বলেন, “জেলা পরিষদের সমন্বয় সভায় এসব বিষয় এজেন্ডাভুক্ত করা হয় না। অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তই সদস্যদের অগোচরে নেওয়া হয়।”

​সংশ্লিষ্টদের সাফাই

নিজের ছেলেকে চাকরি দেওয়ার বিষয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল রাজ্জাক বলেন, “নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতা আমার নেই, কর্তৃপক্ষই নিয়োগ দিয়েছে।” জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ইলিয়াস মেহেদি জানান, তিনি নতুন যোগদান করেছেন, তাই বিস্তারিত খোঁজ না নিয়ে মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

​তবে নিয়োগের বিষয়টি স্বীকার করে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা বলেন, “কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা জেলা পরিষদের দায়িত্ব।” সংসদ সদস্যের সুপারিশ উপেক্ষা করার বিষয়ে তিনি বলেন, “আবেদনকারীর বয়স বেশি হওয়ায় তাকে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি।”

সুত্র: আমাদের সময়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

WWW.DESHENEWS24.COM/REGISTRATION NO-52472/2024

Theme Download From ThemesBazar.Com
Translate »