শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
জগন্নাথপুরে ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদ, জরিমানা আদায় স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ পিএইচপি কোরআনের আলো প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন হাফেজ মুনতাহা,বিজয়ীদের জন্য রয়েছে অর্থ পুরস্কার ও উমরাহর সুযোগ তারাবীহর হাদিয়া বলে টাকা উঠিয়ে অল্প কিছু টাকা ইমামকে দিয়ে বাকি টাকা মসজিদ ফান্ডে রাখা একধরনের অন্যায়, খেয়ানত,প্রতারণা শঙ্খ নদী থেকে অবাধে তুলছে বালু, ঝুঁকিতে খোদারহাট ব্রীজ সীতাকুণ্ড সাবেক ছাত্রদল ফোরামের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সীতাকুণ্ড প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল সম্পন্ন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় মনিরুল হাসান বাপ্পীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। ছাতকের ভাতগাঁওয়ে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে মুক্তিযোদ্ধা পুত্রের বাড়িঘর ভাংচুর করে উল্লাস
বিজ্ঞপ্তিঃ

সারাদেশে  প্রত্যেক  বিভাগ,জেলা ও উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। যোগাযোগঃ ই-মেইল-Mmdidar7@gmail.com মোবাইলঃWhatsApp&Imo:01878518066 #বিশ্বব্যাপী আপনার প্রতিষ্টান ও পন্যের প্রচার প্রসারে বিজ্ঞাপন দিন

পানি নিস্কাসন পথ ভরাট করে ফেলায় বাড়বকুণ্ড বিদ্যুৎ ষ্টেশন,কোডেক অফিস সহ ৩০ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পানিতে ডুবি

  • আপডেট সময়ঃ বুধবার, ৯ জুলাই, ২০২৫

কাইযুম চৌধুরী,সীতাকুণ্ডঃ

চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ড ঊপজেলার বাড়বকুণ্ড একটি বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান পানি নিষ্কাশন পথ ভরাট করে নিজেদের কারখানার দেয়ালের ভিতর নিয়ে যাওয়ায় কারনে বাড়বকুণ্ড বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের ভিতরে পানি ঢুকে তলিয়ে যায়,তাছাড়া পাশ্ববর্তী এরিয়া কোডেক অফিস, ১০/১২ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কয়েকটি বাড়ী একটু ভারী বৃষ্টি হলেই পানিতে তলিয়ে যায়।বিদ্যুৎ অফিসের বিদ্যুৎ সরবরাহ প্যানেলের ওয়ের রাস্তা পানিতে ডুবে যায়।যেকোন সময় বিস্ফোরণে বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।
বাড়বকুণ্ড বিদ্যুৎ অফিসে পানি উঠেছে শুনে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, বাড়বকুণ্ড সাবেক আনোয়ারা জুট মিলস ও আশেপাশের জমি বর্তমানে কেএসআরএম ক্রয় করার পর
তারা মাটি ভরাট করে স্ক্যাপ ও লোহার ডিপু নির্মান করে,মাটি ভরাটকালে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে ঘেষে পানি নিস্কাশন পথে কোন প্রকার পাইপ বা নাশি ব্যবহার না করায় দক্ষিনপাশে উজানের পানি নিস্কাশন বন্ধ হয়ে যায়।ভরাটকালে এলাকাবাসী, বাড়বকুন্ড ৩৩ হাজার বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের দায়িত্বশীলগন পানি নিস্কাশনের পথ রাখতে বলা হলেও এই কোম্পানিটি কোন কর্ণপাত না করে মহাসড়কের পাশের সড়ক ও জনপথের জায়গা সহ ভরাট করে ফেলে।
অনেক বার অভিযোগ আবেদন করেও কোন সুরাহা পাওয়া যায়নি। এখন বাড়বকুণ্ড বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রাইজিং বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, কোডেক এরিয়া অফিস, আশেপাশের দোকান পাট একটু বৃষ্টিতেই তলিয়ে যায়,হাটুপানি, কোমর পানিতে পরিনত হয়।দোকানগুলো বেচাকেনা বন্ধ হয়ে যায়।
বাড়বকুণ্ড ৩৩ হাজার বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের সিনিয়র প্রকৌশলী মোঃ ইছাক আমাদের সময় কে জানায়,একটু বৃষ্টি হলেই বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পানি জমে যায়, বিদ্যুৎ সরবরাহ ওয়ের পথে পানি ঢোকে পড়ে, এতে প্যানেল গুলো বিস্ফোরণের আশংকা থাকে বলে আমরা পাওয়ার পাম্প মেশিন দিয়ে পানি সেচের মাধ্যমে বিপদ মুক্ত রাখি।অফিসে প্রবেশ পথে হাটু পানি ভেঙ্গে ঢোকতে হয়। সব মিলে বিদ্যুৎ অফিসে পানি প্রবেশ করা মুটেও নিরাপদ নয়।যেকোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।কেএসআরএম কে ও আমরা বিদ্যুৎ সরবরাহ করি,কিন্তু আমাদের সমস্যা উনারা বুঝতে চায়না,সমস্যা নিরসন করেনা।মহাসড়ক ঘেষে সড়ক ও জনপথের জায়গাতেই একটি বড় সাইজের পাইপ মাটির নিচে বসিয়ে ঢালা আম্বিয়া ছড়াতে সংযোগ করে দিলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। এতে তাদের জায়গার ও কোন কমতি হবেনা পাইপ মাটির নিচে থাকবে।এই সমস্যাটা কেএসআরএম কর্তৃপক্ষ বুঝা উচিত। আমরা পানি নিস্কাশনের পথ চেয়ে পূর্বের ইউএনও এবং বর্তমান ইউএনও কে জানিয়েছি,লিখিতভাবেও পানি নিস্কাশনের ব্যবস্হার কথা জানাবো। পানি নিস্কাশনের ব্যবস্হা না করলে বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যেকোন সময় বড়দরনের দূর্ঘটনার আশংকা রয়েছে।

তাছাড়া এলাকাবাসি মোঃ ইসমাইল,মজিদ,জামাল,মোঃ আলমগীর অভিযোগ করে বলেন, ঢালা আম্বিয়া ছড়াটির উপরে কেএসআরএম কালবার্ড তৈরী করে ছড়ার প্রস্ত ছোট করে ফেলায়,কালবার্ডের মুখে রড দিয়ে জালি দিয়ে পানি চলাচলে পথরোধ করে দেয়ায় আশেপাশের বাড়িতে পানি উঠে তলিয়ে যায়।তারা আশপাশের বাড়ীগুলো ক্রয় করতেই এই কষ্ট দিচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
কোডেক অফিসের ম্যানেজার মোঃ আফসার আমাদের সময় কে জানায়,একটু বৃষ্টি পড়লেই অফিসে পানি ঢোকে পড়ে,পানি নিস্কাশনের পথ কেএসআরএম কোম্পানী বন্ধ করে দেয়ায় তারা জায়গা কেনার পথ থেকেই আমরা কষ্টে আছি পানিতে।আনোয়ারা জুট মালিক থেকে তারা জায়গাগুলো ক্রয় করে মাটি দিয়ে ভরাট করে পানি নিস্কাশন পথ বন্ধ করে দেন।মহা সড়কের জায়গা তারা দখলে নিয়ে কোন পাইপ বা নাসি না দিয়েই মাটি দিয়ে ভরাট করে দেয়,ফলে পানি নিস্কাশন স্হায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। একানে বাড়বকুণ্ড বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রটি ও ঝুঁকিতে পড়েছে।যেকোন সময় বিদ্যুৎ বিস্ফোরন হতে পারে।আমরা মুখিকভাবে কয়েকবার ইউএনও কে জানিয়েছি।কোন সুরাহা পায়নি। আমরা মহাসড়কের পাশে কেএসআরএম কর্তৃক ভরাট করা স্হানে পাইপ, নাশি বা কালবার্ড তৈরী করে পানি নিস্কাশন পথ করে দিয়ে এলাকার সমস্যা সমাধান চাই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

WWW.DESHENEWS24.COM/REGISTRATION NO-52472/2024

Theme Download From ThemesBazar.Com
Translate »