রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাড়বকুণ্ডে জামায়াতের স্বাধীনতা দিবস ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন চন্দনাইশের খোরশেদ আলম আকিব সীতাকুণ্ডে মাক্রোবাস দূর্ঘটনায় ভাগ্যের গুণে বেঁচে গেলেন প্রবাসী ও পরিবার! সীতাকুণ্ডে অগ্নিকাণ্ডে ৫টি দোকান ও খামারের ২৩ গবাদিপশু পুড়ে ছাই সীতাকুণ্ড জঙ্গল সলিমপুরে র ্যাব সদস্য হত্যার ২০ আসামী আটক জগন্নাথপুরে যুক্তরাজ্যের সুইন্ডন মেয়র আবদুল আমিনকে সংবর্ধনা প্রদান সুনামগঞ্জের ছাতকে ভাঙচুরের ঘটনায় ইউএনও ডিপ্লোম্যাসি চাকমা সরেজমিনে পরিদর্শন চোরের গ্রাম অপবাদ মুছতে রাস্তায় নেমেছে কুরশি, প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি সীতাকুণ্ডে ঢাকাগামী চট্রলা এক্সপ্রেসে আগুন,যান্ত্রিক ক্রুটি না নাশকতা? সীতাকুণ্ড প্রেসক্লাবের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা দিবসের আলোচনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মহরম আলী।
বিজ্ঞপ্তিঃ

সারাদেশে  প্রত্যেক  বিভাগ,জেলা ও উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। যোগাযোগঃ ই-মেইল-Mmdidar7@gmail.com মোবাইলঃWhatsApp&Imo:01878518066 #বিশ্বব্যাপী আপনার প্রতিষ্টান ও পন্যের প্রচার প্রসারে বিজ্ঞাপন দিন

খাদ্য কিনতে ঋণ করে দেশের ৪ কোটি মানুষ!

  • আপডেট সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ, ২০২৪

মো.দিদারুল আলম-

মানুষের পাঁচ মৌলিক চাহিদার মধ্যে খাদ্য এক নম্বরে। নিয়মিত রোজগার দিয়ে এই চাহিদা মেটাতে পারছেন না অনেক মানুষ। খাদ্য ঘাটতি পূরণে ঋণ করতে হয় দেশের ২৫ দশমিক ৫ শতাংশ পরিবারকে। বছরে গড়ে ৪৯ হাজার টাকা ঋণ করে থাকে এসব পরিবার। আত্মীয়, মহাজন এবং ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে থাকে পরিবারগুলো। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) খাদ্য নিরাপত্তা-সংক্রান্ত জরিপের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বিবিএসের খানা আয় ও ব্যয় জরিপের চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে পরিবারের সংখ্যা এখন ৪ কোটি ১০ লাখ। সংস্থার জনশুমারি ও গৃহগণনার চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১। সেই হিসাবে, দেশের ৪ কোটি ৩৩ লাখ মানুষ ঋণ করে খাদ্যঘাটতি মেটাতে বাধ্য হচ্ছেন।

খাদ্য নিরাপত্তা পরিসংখ্যান-২০২৩ নামে প্রতিবেদনটি গত শুক্রবার বিবিএসের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। দেশে খাদ্য নিরাপত্তা-সংক্রান্ত এ ধরনের জরিপ এটিই প্রথম। এ কারণে খাদ্যঋণে খাদ্য সংগ্রহের প্রবণতা আগের তুলনায় বাড়ল না কমলো, তা তুলনা করা সম্ভব হচ্ছে না। জরিপের তথ্য সংগ্রহ করা হয় গত ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত। খাদ্য নিরাপত্তার জন্য জাতীয় অগ্রাধিকারভিত্তিক নীতি প্রণয়নে প্রয়োজনীয় পরিসংখ্যানভিত্তিক উপাত্ত প্রস্তুতের উদ্দেশ্যে জরিপটি পরিচালনা করা হয়। মাঠ পর্যায়ে মোট ২৯ হাজার ৭৬০ খানা বা পরিবার থেকে সরাসরি সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেনের মতে, দেশের অর্থনীতি যে কত ভঙ্গুর, তারই প্রতিফলন বিবিএসের এ জরিপ। তিনি বলেন, এই প্রতিবেদন প্রমাণ করে যে দরিদ্র ছাড়া আরও অনেকে খাদ্যের কষ্টে আছে। সাধারণত ধরে নেওয়া যেতে পারে, দেশে দারিদ্র্যের হার ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ এবং তারা কিছুটা খাদ্য কষ্টে থাকতে পারে। কিন্তু বাস্তবে এক-চতুর্থাংশ পরিবার খাদ্য সংকট লাঘবে ঋণ করতে বাধ্য হচ্ছে। এর মানে, দারিদ্র্যসীমার ওপরে থাকা মানুষও খাদ্যের কষ্টে আছে। এর কারণ হচ্ছে– খাদ্যপণ্যসহ মূল্যস্ফীতি যে হারে বেড়েছে, সে হারে মজুরি বা আয় বাড়েনি সাধারণ মানুষের। এ বিষয়ে রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

WWW.DESHENEWS24.COM/REGISTRATION NO-52472/2024

Theme Download From ThemesBazar.Com
Translate »