শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
চট্টগ্রামে আমবাগানের বাসা থেকে গুরু মা মৌসুমীর মরদেহ উদ্ধার, শ্বাসরোধে হত্যার ধারণা খুলনা দাকোপের ঐতিহ্যবাহী বাজুয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বর্ধিত সভা জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকায় অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ: গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও ৬ দফা দাবিতে উত্তাল রাজপথ জিয়াউল আহসানের লোমহর্ষক স্বীকারোক্তি: নিজ হাতে হাজারো হত্যার নেপথ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ উপলক্ষে সীতাকুণ্ডে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের সঙ্গে মতবিনিময়ে অর্থমন্ত্রী খসরু: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট কমাতে যাত্রাবাড়ী থেকে সিটি গেট পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হবে তারেক রহমানের সরকার মানেই সকল ধর্মের জন্য সুশাসন এবং বাংলাদেশীদের জন্য এক অকৃত্রিম ভালোবাসা— আসলাম চৌধুরী চন্দনাইশে ১ কোটি ২৩ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারকাজে নিম্নমানের সামগ্রীর অভিযোগ সীতাকুণ্ডে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস ও সন্ত্রাসবিরোধী সংবাদ সম্মেলন
বিজ্ঞপ্তিঃ

সারাদেশে  প্রত্যেক  বিভাগ,জেলা ও উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। যোগাযোগঃ ই-মেইল-Mmdidar7@gmail.com মোবাইলঃWhatsApp&Imo:01878518066 #বিশ্বব্যাপী আপনার প্রতিষ্টান ও পন্যের প্রচার প্রসারে বিজ্ঞাপন দিন

সমিতির নামে প্রায় ৮০ লাখ টাকা হাতিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছে শংকর পরিবার।

  • আপডেট সময়ঃ সোমবার, ১ জুন, ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন এনজিও ও ব্যক্তির কাছ থেকে ৩০/৪০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে রাতের অন্ধকারে ভারতে পালিয়ে গেছে।
যার কারণে অনেক নিরীহ হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ শংকর পরিবারের প্রতারণায় পড়েছেন মারাত্মক বিপদে।

শংকরের বাড়ী ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার ইউনিয়নের বেলাট দৌলতপুর গ্রামে।
শংকরের এনজিও ঋণের জামিনদাতা হিসেবে বিপদে আছেন বেশ কয়েকটি হিন্দু সম্প্রদায়ের পরিবার।
রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যাওয়া শংকর পরিবারের বসতভিটা খুব গোপনে ক্রয় করেছেন পাশের গ্রামের একজন মুসলমান সম্প্রদায়ের ভদ্রলোক।
তাঁর দাবী তিনি অনেক আগে শংকরের বসতভিটা ক্রয় করেছেন।
শংকর মানুষের টাকা মেরে ভারতে পালিয়ে যাবেন,সেকথা জমির ক্রেতা মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ জানলেও, তা গোপন রাখার কারণ হলো কমদামে হিন্দু পাড়ায় প্রতারক শংকরের বাড়ী কেনা।
এখানে বাড়ীর ক্রেতা মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ লাভবান হলেও, যাদের টাকা নিয়ে শংকর পরিবার ভারতে পালিয়েছে সেই সকল মুসলমান ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ হয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত।
অথচ শংকরের বাড়ী কেনা, মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ যদি গোপনে বাড়ী না কিনতেন,তাহলে শংকরের মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল না।
বাংলাদেশ থেকে প্রতারণা করে পালিয়ে যাওয়া শংকর পরিবারের ভারতের নাগরিকত্ব পেতে বেশ কয়েকটি কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
(১) বাংলাদেশের জমির দলিল (২) বাংলাদেশী পাসপোর্ট (৩) বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয় পত্র ও (৪) শংকর পরিবার বাংলাদেশে যে ধর্মীয় নিপিড়নের শিকার হয়েছেন তার প্রমাণ পত্র।

এখন প্রশ্ন হলো শংকর পরিবার যদি ভারত সরকারের চাহিদা অনুযায়ী সবগুলো কাগজ পত্র জমা দিতে না পারেন,তাহলে শংকর পরিবার ভারতে নাগরিকত্ব পাবেন না।

আর তাঁরা ভারতের নাগরিকত্ব না পেলে তাদের ঠিকানা হবে ভারত সরকারের ডিটেনশন ক্যাম্প।

আর এভাবেই বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত টাকা হারিয়ে যায়, ভারতের বিশাল আকৃতির অর্থনীতির গহবরে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

WWW.DESHENEWS24.COM/REGISTRATION NO-52472/2024

Theme Download From ThemesBazar.Com
Translate »