বিশেষ প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন এনজিও ও ব্যক্তির কাছ থেকে ৩০/৪০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে রাতের অন্ধকারে ভারতে পালিয়ে গেছে।
যার কারণে অনেক নিরীহ হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ শংকর পরিবারের প্রতারণায় পড়েছেন মারাত্মক বিপদে।
শংকরের বাড়ী ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার ইউনিয়নের বেলাট দৌলতপুর গ্রামে।
শংকরের এনজিও ঋণের জামিনদাতা হিসেবে বিপদে আছেন বেশ কয়েকটি হিন্দু সম্প্রদায়ের পরিবার।
রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যাওয়া শংকর পরিবারের বসতভিটা খুব গোপনে ক্রয় করেছেন পাশের গ্রামের একজন মুসলমান সম্প্রদায়ের ভদ্রলোক।
তাঁর দাবী তিনি অনেক আগে শংকরের বসতভিটা ক্রয় করেছেন।
শংকর মানুষের টাকা মেরে ভারতে পালিয়ে যাবেন,সেকথা জমির ক্রেতা মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ জানলেও, তা গোপন রাখার কারণ হলো কমদামে হিন্দু পাড়ায় প্রতারক শংকরের বাড়ী কেনা।
এখানে বাড়ীর ক্রেতা মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ লাভবান হলেও, যাদের টাকা নিয়ে শংকর পরিবার ভারতে পালিয়েছে সেই সকল মুসলমান ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ হয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত।
অথচ শংকরের বাড়ী কেনা, মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ যদি গোপনে বাড়ী না কিনতেন,তাহলে শংকরের মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল না।
বাংলাদেশ থেকে প্রতারণা করে পালিয়ে যাওয়া শংকর পরিবারের ভারতের নাগরিকত্ব পেতে বেশ কয়েকটি কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
(১) বাংলাদেশের জমির দলিল (২) বাংলাদেশী পাসপোর্ট (৩) বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয় পত্র ও (৪) শংকর পরিবার বাংলাদেশে যে ধর্মীয় নিপিড়নের শিকার হয়েছেন তার প্রমাণ পত্র।
এখন প্রশ্ন হলো শংকর পরিবার যদি ভারত সরকারের চাহিদা অনুযায়ী সবগুলো কাগজ পত্র জমা দিতে না পারেন,তাহলে শংকর পরিবার ভারতে নাগরিকত্ব পাবেন না।
আর তাঁরা ভারতের নাগরিকত্ব না পেলে তাদের ঠিকানা হবে ভারত সরকারের ডিটেনশন ক্যাম্প।
আর এভাবেই বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত টাকা হারিয়ে যায়, ভারতের বিশাল আকৃতির অর্থনীতির গহবরে।