শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সীতাকুণ্ডের সলিমপুর জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী ও কর্মী সমাবেশে জেলা সেক্রেটারী মু: আব্দুল জব্বার কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি হলেন সীতাকুণ্ডের ছেলে মুন্না মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় আমদামীকৃত স্ক্যাপ জাহাজ ফেরৎ পাঠানোর উদ্যোগ প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদের আয়োজনে নলুয়া দ্বিজেন্দ্র লাল কারণ উচ্চ বিদ্যালয়ে স্মরণ সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগরে পথসভায় জনসাধারণের সাথে মতবিনিময় করলেন পুলিশ সুপার দাকোপে অসহায় পরিবারের ওপর হামলা, পিতা-পুত্র-কন্যা সহ আহত ৪ একটি কু-চক্রীমহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে, জঙ্গল সলিমপুর নিয়ে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই; আসলাম চৌধুরী। জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে ৬৭,৬৮০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার সমিতির নামে প্রায় ৮০ লাখ টাকা হাতিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছে শংকর পরিবার। চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ডে চতুর্মুখী সংঘর্ষে পথচারী নারী নিহত, আহত অন্তত ৩০
বিজ্ঞপ্তিঃ

সারাদেশে  প্রত্যেক  বিভাগ,জেলা ও উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। যোগাযোগঃ ই-মেইল-Mmdidar7@gmail.com মোবাইলঃWhatsApp&Imo:01878518066 #বিশ্বব্যাপী আপনার প্রতিষ্টান ও পন্যের প্রচার প্রসারে বিজ্ঞাপন দিন

রিপ্রেজেন্টেটিভ, অবহেলিত মানসিক চাপ, পদে অফিসার হয়েও নিজেই সারাদিন স্যার ডাকতে হয়

  • আপডেট সময়ঃ শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

কাইয়ুম চৌধুরীঃ

মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ/মেডিকেল ইনফরমেশন অফিসার। নামে অফিসার, কিন্তু এরা এদেশের সবচেয়ে অবহেলিত শ্রমজীবী! এরা সবাই উচ্চশিক্ষিত। সাইন্স ব্যাকগ্রাউন্ডে পড়াশোনা করা BSc/MSc ডিগ্রিধারী, স্মার্ট, ভালো আদব কায়দা জানা মানুষ এরা। এরাই বাংলাদেশের সবচেয়ে কঠিনতম চাকুরীটা করে। ঝড়,বৃষ্টি, রোদ,ঠান্ডা, গরম কিছুতেই ওদের কিছু আসে যায় না। এদের চাকুরী শুরু হয় সকাল ৮ টায় কিন্তু শেষের কোন টাইম নাই। মোটামুটি সকাল ৮ টা টু রাত ১২ টা। এটাই ওদের রুটিন। দোকানদার,রুগী,ডাক্তার,নার্স সবার সংগে ওদের কাজ করতে হয়। অনেক কষ্ট বুকে চেপে সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলতে হয়। শরীর,মন সব ভেংগে আসলেও ওরা ভেংগে পড়ে না। করোনাকালে সবাই যখন ঘরে, তখন ওরা রাস্তায়। হরতাল,অবরোধ ওদের কাছে কিছুই ম্যাটার করে না। ওদের জন্যে আমাদের খুব মায়া হয়। ক্লিনিক বা হাসপাতালে গেলে আমরা ওদেরকে লক্ষ্য করি। নার্স,এটেন্ডেন্ট,ডাক্তাররা ওদের সাথে কি বিহ্যাভ করে, তা আমরা দেখতে পাই। আমাদের চোখে তারা দালাল, হাসপাতালের দালাল বাস্তবে এরা না। আসল দালালদের না ধরে, এই অফিসারদের যারা দালাল বলে ধরে নিচ্ছেন, এরা আপনার চেয়ে শিক্ষায়,যোগ্যতায়,সততায়, ব্যবহারে দুই/চার ধাপ উপরের মানুষ। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে ওরা আজ ” মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ।” আর আপনাদের চোখে এরা “দালাল”। ঔষধ কোম্পানীগুলোতে তাদের নতুন নদুন আবিস্কৃত ঔষধ গুলো বাজারজাত করতে, ডাক্তারদের অবগত করতে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ ( এমআর) প্রয়োজন। আর তারা যখন দায়িত্ব পালন করতে মাঠে যায় তখন তারা হয়ে যায় দালাল! তখন হাসপাতালের রোগীর কাছে,আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে তারা অপরাধী বা দালাল। অথচ তাদের মাধ্যমেই ডাক্তারগন নতুন নতুন আবিষ্কৃত ঔষধ গুলোর নাম জানতে পারেন। তারা একজন এমবিবিএস ডাক্তারের চেয়ে কম নয়। তবে তাদের দায়িত্ব পালনকালে একটা সরকার স্বীকৃত নিয়ম ও সময় নির্ধারণ করে দেয়া অবশ্যক।এতে তারাও কাজের স্বীকৃতি পেল,রোগীরাও বিরক্তি থেকে রেহাই পেল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

WWW.DESHENEWS24.COM/REGISTRATION NO-52472/2024

Theme Download From ThemesBazar.Com
Translate »