জসিম উদ্দীন ফারুকী, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
চন্দনাইশে ৮ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী অপহরণের পর সংঘবদ্ধ গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। গত ১৮ জুন চন্দনাইশ উপজেলার চন্দনাইশ পৌরসভাস্থ গাছবাড়ীয়া দুর্ল্লভ পাড়া হযরত শাহ্ ছৈয়দ জালাল উদ্দিন আউলিয়া (রা.) মাজার শরিফের সামনে পাকা রাস্তার উপর থেকে অপহরণ করে চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডস্থ পূর্ব এলাহাবাদ অংশপাড়া বোরহান উদ্দিনের মালিকানাধীন শাহা আমিন পল্ট্রি ফার্মের উত্তর-পশ্চিম কোণে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মো. ফয়সাল (২৬) ও মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম (২৭) নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (২৮ জুন) দুপুরে তাদেরকে আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা আবদুল্লাহ আল মামুন (৪২) বাদী হয়ে মো. ফয়সাল (২৬), মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম (২৭) ও মো. জাহেদ (২৯) সহ ৩ জনের নামে রবিবার (২৮ জুন) রাতে চন্দনাইশ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় পুলিশ রবিবার রাতে চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম দিদারুল ইসলাম সিকদারের নেতৃত্বে একাধিক পুলিশের টিম উপজেলায় বিভিন্ন এলাকা অভিযান পরিচালনা করে ৫ঘন্টার মধ্যে সংঘবদ্ধ গণধর্ষণের সাথে জড়িত মো. ফয়সাল (২৬) ও মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলামকে (২৭) আটক করে। ঘটনার সাথে জড়িত সিএনজি উদ্ধার করা হয়। সংঘবদ্ধ গণধর্ষণের সাথে জড়িত মো. জাহেদ (২৯) পলাতক রয়েছে বলে জানা যায়।
গ্রেপ্তারকৃত মো. ফয়সাল চন্দনাইশ উপজেলা হাশিমপুর ইউনিয়নের উত্তর হাশিমপুর ছৈয়দাবাদ এলাকার মোহাম্মদ নাছিরের ছেলে আর মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম একই এলাকার মো. ইউনুচের ছেলে। পলাতক অপর আসামি মো. জাহেদ একই এলাকার শামসুল আলমের ছেলে।
নির্যাতনের শিকার ওই ছাত্রী স্থানীয় গাছবাড়িয়া মমতাজ বেগম স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৮ম শ্রেণিতে পড়ে।
মামলার এজাহার, নির্যাতনের শিকার ওই ছাত্রী ও তাঁর বাবা জানান, গত ১৮ জুন দুই বোন মিলে নিজ বাড়ি থেকে নানীর বাড়িতে যাওয়ার সময় চন্দনাইশ উপজেলার চন্দনাইশ পৌরসভার গাছবাড়ীয়া দুর্ল্লভ পাড়া হযরত শাহ্ ছৈয়দ জালাল উদ্দিন আউলিয়া (রা.) মাজার শরিফ এর সামনে পাকা রাস্তার উপর থেকে মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা জোরপূর্বক সিএনজিতে তুলে নিয়ে অপহরন করে নিয়ে যাওয়ার সময় ছোটবোন লাফ দিয়ে কৌশলে নেমে যায়। পরে চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডর পূর্ব এলাহাবাদ অংশপাড়া বোরহান উদ্দিনের মালিকানাধীন শাহা আমিন পল্ট্রি ফার্মের উত্তর-পশ্চিম কোণে নিয়ে এজাহারভুক্ত আসামিরা স্কুলছাত্রীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে।
চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম দিদারুল ইসলাম সিকদার জানান, নির্যাতিত স্কুল ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ৩জনের নাম উল্লেখ করে রবিবার (২৮ জুন) রাতেই থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। রবিবার রাতে থানার একাধিক টিম আমার নেতৃত্বে ধর্ষণের অভিযোগে মো. ফয়সাল (২৬) ও মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম (২৭) নামে উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপহরণের কাজে ব্যবহৃত সিএনজি উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। আসামিদের দুপুরে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওই শিক্ষার্থীর ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে ২২ ধারায় জবানবন্দি নেওয়ার কাজ চলমান রয়েছে।
ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদকের বিস্তার রোধ এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার…
নিউজ ডেস্কঃ গাইবান্ধার পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের ভি এইড রোড কালীবাড়ি মন্দিরের দক্ষিণে মোঃ খারুজ্জামান…
সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে মাগরিবের নামাজরত অবস্থায় এক পরিবারের সর্বস্ব লুট করে নিয়েছে ডাকাতদল। বুধবার…
কাইয়ুম চৌধুরী, সীতাকুণ্ড: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আট বছর বয়সী শিশু জান্নাতুল নাঈম ইরাকে ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ…
কাইয়ুম চৌধুরী - সীতাকুণ্ডে চাঁদার দাবিতে রাস্তার ওপর টিনের বেড়া দিয়ে ব্যারিকেড সৃষ্টির ফলে ১৮…
জসিম উদ্দীন ফারুকী বিশেষ প্রতিনিধিঃ শঙ্খনদীর প্রবল স্রোতে রাতের অন্ধকারে জ্বালানি কাঠ (লাকড়ি) সংগ্রহ করতে…
This website uses cookies.