বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সীতাকুণ্ডের সন্ধীপ চ্যানেল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, হুমকীর মুখে বেঁড়ীবাধ,বাড়ীঘর চন্দনাইশে প্রতি পিস লেবু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায়, রমজানে চাহিদা বেশি থাকায় ভোক্তাদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা  সাতকানিয়ার পুরানগড় ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম কারাগারে সীতাকুণ্ড খালেদা জিয়া স্মৃতি সংসদে হামলা ও অর্থলুটের অভিযোগ সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিসভা সীতাকুণ্ডের মুরাদপুরে আবারো যুবক খুন! সিলেটে ছাতক সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জনপ্রতিনিধিসহ পিআইসিদের যতো অভিযোগ সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালন সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে আলোচিত সানলাইট ভবনকে ঘিরে আসল সত্যটা কি ?
বিজ্ঞপ্তিঃ

সারাদেশে  প্রত্যেক  বিভাগ,জেলা ও উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। যোগাযোগঃ ই-মেইল-Mmdidar7@gmail.com মোবাইলঃWhatsApp&Imo:01878518066 #বিশ্বব্যাপী আপনার প্রতিষ্টান ও পন্যের প্রচার প্রসারে বিজ্ঞাপন দিন

সীতাকু‌ণ্ডে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত চার পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা

  • আপডেট সময়ঃ রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬

কাইয়ুম চৌধুরী, সীতাকুণ্ড-

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের পূর্ববাকখালী ৪নং ওয়ার্ডের শেখের হাট এলাকায় সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত চার পরিবারকে সহযোগিতা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। রোববার (১১ জানুয়ারি) উপজেলা প্রাঙ্গণে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা জামিরুল ইসলাম স্বশরীরে উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর হাতে এ সহায়তা তুলে দেন।
এর আগে শনিবার ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে পূর্ব বাকখালী গ্রামের শেখের হাটের উত্তর পাশে আবদুল আলীর বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে রবি সওদাগর, দেলোয়ার হোসেন, আনোয়ার হোসেন ও নুর আলমসহ চারটি পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর দাবি, অগ্নিকাণ্ডে তাদের ঘরে থাকা নগদ প্রায় ৬ লাখ টাকা, ৬ ভরি স্বর্ণালংকারসহ আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় মালামাল সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এতে মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৩৫ লাখ টাকা বলে তারা জানিয়েছেন।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে পরিবারপ্রতি ২ বান ঢেউটিন, ১ প্যাকেট শুকনো খাবার, ২টি কম্বল এবং নগদ ৬ হাজার টাকা করে জরুরি সহায়তা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করে পর্যায়ক্রমে আরও সরকারি সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের কোনো ইউনিট ঘটনাস্থলে না যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসীর প্রশ্ন—আগুন লাগার খবর পাওয়ার পরও ফায়ার সার্ভিস কেন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি? একই সঙ্গে আগুনের প্রকৃত উৎস ও ক্ষয়ক্ষতির সরকারি নিরূপণ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার মথিন্দ্র ত্রিপুরা জানান, যে ফোন নম্বর থেকে অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ দেওয়া হয়েছিল, সেই নম্বর থেকেই পরবর্তীতে জানানো হয় যে আগুন নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে—এ কারণে ঘটনাস্থলে যাওয়ার প্রয়োজন হয়নি। তবে স্থানীয়দের দাবি, এমন পরিস্থিতিতেও ফায়ার সার্ভিসের ঘটনাস্থলে গিয়ে সরেজমিন পরিদর্শন করা উচিত ছিল।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পর্যায়ক্রমে সরকারি সহায়তা প্রদান করা হবে।
ক্ষতিগ্রস্তরা হ‌লেন :
মোঃ নুর আলম (পিতা: মৃত আলী হোসেন, মাতা: ছবুরা খাতুন),
মোঃ রবি (পিতা: নুরুল আবছার, মাতা: শাহানা আক্তার),
দেলোয়ার হোসেন (পিতা: নুরুল আবছার, মাতা: শাহানা আক্তার),
আনোয়ার হোসেন (পিতা: নুরুল আবছার, মাতা: শাহানা আক্তার)।
গ্রাম—পূর্ব বাকখালী, ডাকঘর—শেখের হাট, সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

WWW.DESHENEWS24.COM/REGISTRATION NO-52472/2024

Theme Download From ThemesBazar.Com
Translate »