দেশি নিউজ অনলাইন ডেস্কঃ
৩ বছর ধরে দ্রুত বাড়ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়। দাম বাড়িয়েও আয়-ব্যয়ের বড় ঘাটতি পোষানো যাচ্ছে না। এতে লোকসান বাড়ছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি)। তবে সে ঘাটতির পুরোটা ভর্তুকি হিসেবে দিচ্ছে না অর্থ মন্ত্রণালয়। শুধু বেসরকারি খাতের রেন্টাল ও আইপিপি (ইন্ডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার) থেকে উচ্চ দামে বিদ্যুৎ কেনার ঘাটতি পূরণে ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে। অন্যান্য খাতে পিডিবির চাহিদা অনুযায়ী মিলছে না ভর্তুকি। এতে লোকসান ও ভর্তুকির মধ্যে পার্থক্য বাড়ছে।
প্রসঙ্গত, ২০০৯ সাল থেকে বেশকিছু রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের অনুমোদন দেয় সরকার। এসব বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হতো ডলারে। বিদ্যমান কেন্দ্রগুলোকে ডলারেই ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হচ্ছে। রেন্টাল-কুইক রেন্টালের পর বেসরকারি খাতে বড় কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন দেয়া হয়, যেগুলো আইপিপি নামে পরিচিত। এসব কেন্দ্রের ক্যাপাসিটি চার্জ ডলারের বিনিময় হার ধরে টাকায় পরিশোধ করতে হয়। ফলে টাকার অবমূল্যায়নে ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধ ব্যয় বাড়ছে প্রতি বছর।