
চট্টগ্রামের খেজুরতলা, কাটগড়, রাজমণি ঘাট ও কাট্টলী ঘাটে সাংবাদিকতার পরিচয় দিয়ে মাছ লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল কথিত এক ভুয়া সাংবাদিক আটকের খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় পেশাদার সাংবাদিকদের সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সাংবাদিকতা কি এখন অপরাধ আড়াল করা, মাছ লুটপাট এবং অবৈধ সুবিধা আদায়ের হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে? রাতের আঁধারে ঘাটে ঘাটে কথিত সাংবাদিকদের আনাগোনা এবং সাধারণ জেলেদের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগগুলো এখন আর এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।
আমাদের মনে রাখতে হবে—সাংবাদিক পরিচয় কোনো অপরাধের লাইসেন্স হতে পারে না। কেউ যদি অপরাধে জড়িত থাকে, তবে তার পরিচয় কিংবা রাজনৈতিক প্রভাব যাই হোক না কেন, সঠিকভাবে তদন্ত করে তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।
প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি—ঘটনার সত্যতা যাচাই করে এসব অপকর্মের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিন এবং প্রকৃত সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা সুরক্ষায় এগিয়ে আসুন। গুটিকয়েক অপকর্মকারীর দায় পুরো সাংবাদিক সমাজ নিতে পারে না এবং তাদের কারণে পুরো পেশার সম্মান ধূলিসাৎ হতে দেওয়া যায় না।
এখন প্রশ্ন একটাই—যাঁরা সাংবাদিকতার নাম ভাঙিয়ে সাগড়পাড়ে মাদক বেচাকেনায় সহায়তা, ইলিশ মাছ হাতিয়ে নেওয়াসহ নানা অপরাধে জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাঁধা কোথায়?