
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ শুরু করেছেন। তাঁর নির্দেশনায় বর্তমানে প্রায় ৩০০ জন খেলোয়াড়কে পেশাগত স্বীকৃতি হিসেবে ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড প্রদান করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও ২০০ জন জাতীয় খেলোয়াড়কে অন্তর্ভুক্ত করে মোট ৫০০ জনকে এই ভাতার আওতায় আনা হবে।
আজ শনিবার খুলনার রূপসা উপজেলার পালেরহাট মাঠে ‘বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃইউনিয়ন ফুটবল প্রতিযোগিতা’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমরা বাংলাদেশকে একটি ক্রীড়াবান্ধব দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে খেলোয়াড়দের যথাযথ স্বীকৃতি প্রদানই আমাদের লক্ষ্য। এছাড়া দ্রুত সময়ের মধ্যে খুলনা বিকেএসপি-কে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। ঢাকাসহ সারা বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলে মাঠ সংরক্ষণ ও সংস্কারের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য খেলার উপযোগী পরিবেশ তৈরি করতে চাই।”
তিনি আরও জানান, সারা দেশকে আটটি বিভাগ ও ১০টি অঞ্চলে ভাগ করে ১০টি ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের, যেখানে আন্তর্জাতিক মানের সব সুযোগ-সুবিধা থাকবে। খেলাধুলার মাধ্যমে একটি সুস্থ জাতি ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করা সম্ভব বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস কে আজিজুল বারী হেলাল, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, জেলা পরিষদের প্রশাসক মনিরুল ইসলাম বাপ্পি, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আবু হোসেন বাবু এবং বিসিবির সাবেক পরিচালক খান জুলফিকার আলী জুলু। প্রতিযোগিতা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মোল্লা খায়রুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া—এই তিন উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় মোট ১৫টি দল অংশ নিচ্ছে। উদ্বোধনী খেলায় রূপসা উপজেলার শ্রীফলতলা ইউনিয়ন ও তেরখাদা উপজেলার মধুগ্রাম ইউনিয়ন মুখোমুখি হয়।