
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে অন্যের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগে কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানের এমপিও (MPO) স্থগিত করা হয়েছে। গত ২৯ জুন ২০২৬ তারিখ মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এক চিঠির মাধ্যমে এই নির্দেশ প্রদান করে।
অভিযোগ রয়েছে, কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার সাইদুর রহমান তার ভাতিজা মোস্তাফিজুর রহমানকে (ইনডেক্স নং- ২১২১৭৮৩) নিয়োগ দেওয়ার জন্য অন্যের শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) সনদ ব্যবহার করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সরাসরি তদন্তে নামে। তদন্তে জালিয়াতির সত্যতা পাওয়ার পর দুদক মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখাকে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তার এমপিও স্থগিতের সিদ্ধান্ত আসে।
স্থানীয় ও তদন্ত সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসার সুপার সাইদুর রহমান অবৈধ সুবিধা ও উৎকোচের বিনিময়ে এই নিয়োগ সম্পন্ন করেন। অভিযোগ রয়েছে, নিয়োগের বিনিময়ে মোস্তাফিজুর রহমানের কাছ থেকে ভূরুঙ্গামারী পাবলিক ক্লাবের পূর্বপাশে মূল রাস্তা সংলগ্ন প্রায় ৪৫ লাখ টাকা মূল্যের ৩ শতক জমি সুপার নিজের নামে লিখে নেন। এভাবেই ভুয়া সনদে ভাতিজাকে সহকারী শিক্ষক (মৌলভী) পদে বিধিবহির্ভূতভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ঘটনাটি তদন্ত করে। তদন্ত প্রতিবেদনেও মোস্তাফিজুর রহমানের শিক্ষক নিবন্ধন সনদটি ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়েছে।