
সীতাকুণ্ড ইকো পার্কে আলোচিত শিশু জান্নাতুল নাঈম ইরা মনি ধর্ষণচেষ্টা ও গলা কেটে হত্যা মামলার বিচারিক কার্যক্রম এখন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) মামলার তৃতীয় দিনের মতো সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এ পর্যন্ত তিন দিনে আদালতে মোট ১১ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে। মামলার পরবর্তী কার্যক্রম অনুযায়ী, বুধবার (২৪ জুন) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের (ডাক্তার) সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেছেন আদালত।
সাক্ষ্য-প্রমাণ দ্রুত ও ধারাবাহিকভাবে উপস্থাপিত হওয়ায় বিচার কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্রপক্ষ আশাবাদী যে, সকল তথ্য-উপাত্ত ও সাক্ষ্য পর্যালোচনার মাধ্যমে আদালত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন এবং অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করবেন।
এই গুরুত্বপূর্ণ মামলাটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪, চট্টগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর আ ন ম কামরুল হাসনাত চৌধুরী। তাকে সহায়তা করছেন অতিরিক্ত জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. সরোয়ার হোসেন লাভলু এবং অ্যাডভোকেট রিক্তা বড়ুয়া।
এদিকে, এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সীতাকুণ্ডবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়ে বলছেন, শিশু ইরা মনিকে ধর্ষণচেষ্টা ও নির্মমভাবে হত্যার নেপথ্যে থাকা কুচক্রীদের এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন নৃশংস কর্মকাণ্ড করার সাহস না পায়। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন তারা।