
সীতাকুন্ড প্রতিনিধি:
সীতাকুণ্ডে দীর্ঘ ২৭ বছরের পেশাগত সুনাম ও ‘স্থপতি ডিজাইন অ্যান্ড কনসালট্যান্ট’-এর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা ও মানহানিকর অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রকৌশলী মোঃ কামরুদ্দৌজা। শনিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব ভিত্তিহীন অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে প্রকৃত সত্য তুলে ধরেন।
লিখিত বক্তব্যে প্রকৌশলী কামরুদ্দৌজা জানান, প্রায় ২৭ বছর ধরে তিনি সীতাকুণ্ড, মীরসরাই ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে ভবনের নকশা প্রণয়ন ও অনুমোদনসংক্রান্ত পেশাগত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। পাশাপাশি তিনি সীতাকুণ্ড-মীরসরাই আর্কিটেক্ট অ্যান্ড সিভিল ইঞ্জিনিয়ার অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
সম্প্রতি কিছু অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে "জাল সিল-স্বাক্ষরে ভবনের নকশা তৈরির অভিযোগ" শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, "প্রকাশিত সংবাদের কোথাও কোনো নির্দিষ্ট ভবনের নকশা, তারিখ কিংবা গ্রহণযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার ও আমার প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করতেই এই ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।"
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ১৯৯৬ সালের ভবন ও ইমারত নির্মাণ আইনসহ সংশ্লিষ্ট বিধিমালা মেনেই তার প্রতিষ্ঠান সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে। চারতলা পর্যন্ত ভবনের নকশা ও অনুমোদনসংক্রান্ত কাজ তিনি নিজে তদারকি করেন এবং এর অধিক উচ্চতার ভবনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ ও অনুমোদিত প্রকৌশলীরা দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া নকশায় স্বাক্ষর জালিয়াতির যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করে তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিজেই অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন এবং প্রয়োজনীয় সকল নথিপত্র তার কাছে সংরক্ষিত আছে।
প্রকৌশলী কামরুদ্দৌজা দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, "যদি আমি কোনো প্রকার অনিয়ম বা জাল জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত থাকতাম, তবে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে আমার প্রতিষ্ঠান কখনোই এতো দীর্ঘ সময় সুনামের সঙ্গে টিকে থাকতে পারতো না। একটি স্বার্থান্বেষী মহলের ষড়যন্ত্র কখনোই সফল হবে না।"
পরিশেষে, পেশাগত মর্যাদা ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সকল প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের তথ্য যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের জন্য বিনীত আহ্বান জানান তিনি।