কাইয়ুম চৌধুরী, সীতাকুণ্ডঃ
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সংঘটিত বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আসলাম চৌধুরীর সম্পৃক্ততার অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন ও একটি কূচক্রীমহলের রটানো বলে দাবি করেছেন বিএন পি নেতা এবং চট্টগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী এফসিএ।
মঙ্গলবার (২ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এই দাবি করেন এবং জনসাধারণকে কোনো ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে আসলাম চৌধুরী উল্লেখ করেন, জঙ্গল সলিমপুর তাঁর নির্বাচনী এলাকার একটি ওয়ার্ড হওয়া সত্ত্বেও ২০২৪ সালের ২০ আগস্ট কারামুক্তির পর তিনি ব্যক্তিগতভাবে সেখানে একবারও যাননি। এমনকি সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়ও গণসংযোগের উদ্দেশ্যে ও তিনি ওই এলাকায় যাননি বলে জানান।
তিনি অভিযোগ করেন, সম্প্রতি কিছু স্বার্থান্বেষী মহল বিভিন্ন অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নাম জড়িয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে।
সরাসরি কোনো অপরাধী চক্রকে মদদ দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বিএনপি এই শীর্ষ নেতা বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের কোনো গ্রুপ বা গোষ্ঠীকে আমি কখনোই কোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা করিনি। একই সাথে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কোনো পর্যায়ের নেতা-কর্মীও সেখানে সংঘটিত কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত নন।
তিনি আরও বলেন, এলাকার সন্ত্রাসী ও দখলদার চক্র মূলত নিজেদের অপকর্ম ও অবৈধ সুবিধা আড়াল করতেই তার এবং বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এই মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
বিজ্ঞপ্তিতে এমপি আসলাম চৌধুরী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরকে ঘিরে সরকার বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এই পরিকল্পনাগুলো সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে সেখানে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ এমনিতেই বন্ধ হয়ে যাবে। আর এই কারণেই একটি বিশেষ মহল আতঙ্কিত হয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গুজব ছড়াচ্ছে।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের কঠোর তৎপরতার মাধ্যমে যারা রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করার চেষ্টা করছে, তাদের অস্তিত্ব অচিরেই বিলীন হবে। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি জঙ্গল সলিমপুরকে সম্পূর্ণ সন্ত্রাস ও দখলদারমুক্ত দেখতে চান এবং সরকারের যেকোনো ইতিবাচক পদক্ষেপ বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবেন বলে পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। জঙ্গল সলিমপুর কে সন্ত্রাসী মুক্ত করতে তিনি সর্বপ্রকার সহযোগীতা করে যাবেন বলে ঘোষনা দেন।