কাইয়ুম চৌধুরী
সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
সীতাকুণ্ড জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আয়োজিত ঈদ পূর্ণ মিলনী অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশের বিভিন্ন খাতে সংস্কার, বিচার নিশ্চিতকরণ এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
গত সোমবার দুপুর ১২টায় সীতাকুণ্ড প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স রুমে উপজেলা এনসিপি আয়োজিত অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হকের
সভাপতিত্ব এবং ফজলে রাব্বি চৌধুরীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত, বিশেষ অতিথি কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব শাহরিয়ার হাসনাত তপু, এবি পার্টি সাবেক নেতা মোস্তফা নুর।
এছাড়া ফারুক হোসেন ও ছাত্র সংগঠক ফাতিন মোহাম্মদ নিহালসহ এনসিপির পৌরসভা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সালেহ উদ্দিন সিফাত বলেন, এনসিপি একটি তরুণ রাজনৈতিক দল হলেও ইতিহাসের ধারাবাহিক আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি ১৯৪৭ সালের দেশভাগ, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা এবং ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদের পতনকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বিচার ও সংস্কার এখনো সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি, অথচ নির্বাচন হয়ে গেছে। যতদিন বিচার ও সংস্কার নিশ্চিত না হবে, ততদিন এনসিপির সংসদ সদস্যরা সংসদে এ বিষয়ে সোচ্চার থাকবেন। তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের গণহত্যার সাথে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং বিচারের আগে কোনো পুনর্মিলন (রিকনসিলিয়েশন) হতে পারে না। পাশাপাশি সীতাকুণ্ডে মাদক সমস্যার কথা তুলে ধরে তিনি দলীয় ও সামাজিকভাবে তা প্রতিরোধের আহ্বান জানান এবং সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব শাহরিয়ার হাসনাত তপু বলেন, দেশের সব সেক্টরে সিস্টেম পরিবর্তন প্রয়োজন এবং এ জন্য জনগণের সচেতনতা জরুরী। বিশেষ করে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন ও সেবার ঘাটতি রয়েছে। এছাড়া রাস্তাঘাটসহ অন্যান্য খাতেও ধাপে ধাপে উন্নয়ন ও সংস্কার প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন। এখনো ফ্যাসিবাদের দোসররা সক্রিয় রয়েছে। তিনি এনসিপিকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান এবং জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধাদের স্মরণ করেন। বক্তব্য শেষে উপস্থিত সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান।
এবি পার্টির সাবেক নেতা মোস্তফা নূর বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশ লুটেরাদের দখলে ছিল। তিনি অত্র উপজেলার বাজার গুলোর ইজারা ব্যবস্থায় সিন্ডিকেট ভেঙে সব দলের অংশগ্রহণে লটারির মাধ্যমে ইজারা দেওয়ার প্রস্তাব করেন।