
সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি ঃ
সীতাকুণ্ডে ভূল বি এস মূলে রেলের উচ্ছেদ অভিযানে বসতঘর, দোকানপাট ভাঙচুর, আসবারপত্র, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুটপাটের অভিযোগ এনে ভূক্তভূগিরা সীতাকুণ্ড প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে অভিযোগ করেছে।
শনিবার (২৮ জানুঃ) দুপুর ১টায় সীতাকুণ্ড প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স হলে সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভূক্তভূগী সানি আক্তার বলেন, সিএস, আরএস ও পিএস খতিয়ান অনুযায়ী ৫৬৪ ও ৫৬৪/২ নম্বর দাগে প্রায় ৮১ শতক জমি তার শ্বশুরবাড়ির পূর্ব পুরুষ আজগর আলীর নামে রেকর্ডভুক্ত রয়েছে। প্রায় দেড়শ থেকে দুইশ বছর ধরে বংশ পরম্পরায় তারা ওই জমিতে বসবাস করে আসছে এবং সেখানে বসতঘর ও দোকানঘর নির্মাণ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। কিন্তু আমার শ্বশুড়দের মৌরশী জায়গাটি ভূলক্রমে বিএস রেলওয়ের নামে রেকর্ড হয়ে যায় আমরা কেউই জানতাম না।
এরপরও রেল কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে কোন নোটিশ না দিয়ে গত ১৩ জানুয়ারী ২৬ইং সন্ধ্যা ৬টায় আমাদের ৪টি পরিবারের ১১টি বসত ঘর এবং ৫টি দোকান বোল্ডোজারের মাধ্যমে ভেঙ্গে চুরমার করে দেয়। এ সমস্ত অপকর্মে স্হানীয় বিএনপি নামধারী আহসান হাবিব, মোঃ আলমগীর, মোঃ সাইফুল ইসলাম, ও মোঃ আযম চক্রদের ইন্ধনে এবং সহযোগিতায় রেল কর্তৃপক্ষ আমাদের প্রতি ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। তাই সোনাইছড়ি ইউনিয়নের কেশবপুর এলাকায় বাংলাদেশ রেলওয়ের উচ্ছেদ অভিযানে একাধিক পরিবার তাদের বসতঘর ও দোকান হারিয়ে পথে বসেছি। এতে নারী ও শিশুসহ কয়েকটি পরিবার বর্তমানে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে। আহসান হাবিব গং একটি কারখানাকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বড় রাস্তা করে দেয়ার উদ্দেশ্য রেলের অসাধু কিছু ব্যক্তি মিলে উক্ত ঘটনাটি ঘটায় বলে সম্মেলনে অভিযেগ করেন।তারা সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে সিজারে সন্তান হওয়া আমার ননদ জেসমিনকে অমানবিক মারধর করে।
৪ দিনের সন্তানকেসহ তাকে টেনে হেঁচড়ে ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়। এমনকি আহসান হাবিবের বাহিনী আমাদের বসত ঘর ও দোকান গুলো ভাংচুর করে ঘরে থাকা রক্ষিত ৮/১০ লাখ, ২ ভরি স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান আসবারপত্র লুটপাট করে নিয়ে যায়। এধরনের হামলা এবং ভাংচুরসহ প্রায় ৪০/৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, আফসার উদ্দীন, কামাল উদ্দিন, লাকি আকতার, বিবি হাজেরা, তসলিমা আক্তার, মোঃ জাফর, মোঃ শাহাবুদ্দীন, নাজিম উদ্দিন প্রমূখ।