জসিম উদ্দীন ফারুকী, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার ধোপাছড়ি ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ধোপাছড়ি খালেকিয়া দাখিল মাদরাসা সংযোগ সড়কটির বেহাল দশা। এটি এখনো কাঁচা রয়ে যাওয়ায় বর্ষা মৌসুমে ছোট-বড় অনেক গর্ত হয়ে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ধোপাছড়ি দুর্গম পাহাড়ি এলাকার খালের পাড় থেকে সড়কটি শুরু হয়ে পূর্ব ধোপাছড়ি অতিবাহিত হয়ে বান্দরবানের সাথে সংযুক্ত হয়। এটি পূর্ব ধোপাছড়িবাসীর একমাত্র চলাচলের মাধ্যম । স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও এই সড়কটি ব্রিক সলিন পর্যন্ত হয়নি। সড়কটি কাঁচা হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে কাঁদা মারিয়ে চলাচল করতে হয় এলাকাবাসী ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় প্রতিষ্ঠিত এ মাদরাসাটিতে বিভিন্ন এলাকার ২ শতাধিক শিক্ষার্থী পড়ালেখা করে পূর্ব ধোপাছড়ির শিক্ষার্থী প্রতিদিন ছাড়ায়ে শতাইটে মাদরাসায় যাতায়াত করে থাকে। যাতায়াতের একমাত্র সড়কটি কাঁচা হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে ছাত্রীদের হেঁটে
মাদরাসায় গিয়ে কাপড় পরিবর্তন করে ক্লাস করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। সামান্য বৃষ্টি হলেই এ সড়ক দিয়ে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে সড়কের গর্তে জমে থাকা পানি অন্যের শরীরে পড়ে কাপড় নষ্ট হয়, হাঁটার সময় পা পিছলে পড়ে আহত হয়। ফলে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। মাদরাসা প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা আবদুল হাফেজ বলেছেন, এই সড়কটি ব্রিক সলিন করার জন্য বিভিন্ন জনপ্রতিনিধির নিকট দাবী তোলা হয়েছে। অনেকে প্রতিশ্রুতি দিয়েও সংস্কার করেনি। মাদরাসার শিক্ষার্থীদের সুচারুরূপে পড়ালেখা করার জন্য পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে সড়কটি সংস্কার করে ব্রিক সলিন করার দাবি জানান। স্থানীয় হাবিবুর রহমান বলেছেন, সড়কের বেহাল দশার কারণে এ এলাকার মুমূর্ষু রোগী আনা-নেয়ায় সীমাহীন কষ্ট শিকার করতে হয়।
এ এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সংস্কারের দাবী দীর্ঘদিনের। এ ব্যাপারে তিনি স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।