সীতাকুণ্ড চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ
চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ড বটতল এলাকায় যাত্রীবাহী বাস অভারটেক করতে গিয়ে একটি ড্রাম ট্রাকের পিছনে ধাক্কা লেগে
বাসটি দুমড়ে মুছড়ে যায়, এতে ঘটনাস্হলেই ৫ জন ও চট্টগ্রাম মেডিক্যালে আরো ৫ জন সহ এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মোট ১০ জন নিহত হয়েছে বলে জানা যায়, আহত হয়েছে আরো ৩০ জন। চট্টগ্রাম মেডিকেলে যারা মারা গেছেন তাদের নাম পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি।
দূর্ঘটনা কবলিত বাসের আহত যাত্রী জানায়, তিনি বারৈয়ারহাট থেকে এই সিডিএম পরিবহন বাসটিতে উঠেছেন বিকাল সোয়া ৫ টায়। সীতাকুণ্ডের বটতল নামক স্হানে আসার পর বাসটি একটি ড্রাম ট্রাকের পিছনে ধাক্কা খেলে মূহুর্তের মধ্যে বাসটি দুমড়ে মুছড়ে যায়,বাসের যাত্রীরা রাস্তায় ছিটকে পড়ে। যাত্রীদের মধ্যে কারো হাত নেই,কারো পা নেই,বেশীর ভাগ যাত্রীর মাথায় আঘাতে সারা শরীর লাল রক্তাক্ত হয়ে যায়। আহতদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে।

এতে স্হানীয়রা এগিয়ে আসে, কিছুক্ষণ পর সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ীও পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড হাসপাতালে পৌঁছে দেন।
সীতাকুণ্ড স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সর চিকিৎসক ডাক্তার সাজিদা জানায়, দূর্ঘটনা কবলিত আহতদেরকে ফায়ার সার্ভিস ও স্হানীয়রা হাসপাতালে আনার পর আমরা বাহিরে থাকা চিকিৎসকদেরকেও এনে চিকিৎসা দেই।
চিকিৎসকগন প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ২০ জনকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত হেড ইন্জুরী ১২ জন রয়েছে। সেখানে অনেকেরই হাত,পা কাটা,মাথায় গুরুত্বর যখম রয়েছে। অনেক রক্ত ঝড়ছে শরীর থেকে। হাসপাতালে একজনকে মৃত ঘোষনা করেন।
চমেক হাসপাতালে প্রেরণকৃত রোগীদের কি অবস্হা জানা যায়নি। চমেক হাসপাতালে প্রেরণকৃত গুরুতর আহতদের মধ্যে
১)অর্নব দেব(২২) পিতা: বিজয় দেব, অনন্তপুর বাড়বকুণ্ড, ২) মোঃ রনি (৩৫),পিতা:গোলাম হোসেন ৩) রিজভী (৩২), পিতা: ইব্রাহিম, চন্দনাইশ,৪) রিংকু (৩০) ,৫)নয়ন(২০), পিতা : সেন্টু সিকদার, জিপিএইচ, সীতাকুণ্ড,৬)অর্নব,মিঠাছড়া, মীরসরাই,৭) জাহাঙ্গীর আলম, ফেনী। এরা সবাই হেড ইঞ্জুরী
বলে চিকিৎসকরা জানায়।