বিশেষ সংবাদদাতাঃ
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ চ্যানেলের সীতাকুণ্ড অংশে চলছে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছেই। যেন থামাবার কেউ নেই! স্থানীয় জনসাধারণের অভিযোগ, সন্দ্বীপ-কুমিরা ঘাট, সোনাইছড়ি, বাঁশবাড়িয়া ও বাড়বকুণ্ড এলাকা জুড়ে কয়েকটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক সিন্ডিকেট দলীয় প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নদী থেকে বালু তুলছে। ইতিপূর্বে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম এসব পরিবেশ ধ্বংসকারী কর্মযজ্ঞের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আসলেও এখনো পর্যন্ত এসব পরিবেশ ধ্বংসকারী কর্মযজ্ঞ চলছেই! যেন দেখার কেউ নেই! থামাবারও কেউ নেই। জানা যায়, এসব চক্র নৌ-পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কিছু অসাধু কর্মকর্তাকে প্রভাবিত করে প্রকাশ্যে বালু তুলছে এবং রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে নদীর তলদেশ দিন দিন গভীর হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি আশপাশের ফসলি জমি ও বেড়িবাঁধ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে। এবং এসব বালি ঢাকা চট্টগ্রাম হাইওয়েের বিভিন্ন অংশে রেখে জনসাধারণ ও স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের নির্বিঘ্ন চলাচলের পথ রোদ্দ করছে ও প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা বেড়েই চলছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, বর্ষাকালে নদী ভাঙন ও জোয়ারের পানিতে ফসলি জমি ও বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এবং ড্রেজার দিয়ে সমুদ্র থেকে বাড়ি উত্তোলনের ফলে সমুদ্র গভীরতার হওয়ার কারণে অনেক পর্যটক সাঁতার কাঁটতে গিয়ে পানিতে তলিয়ে যায় এমন ঘটনাও অনেক ঘটেছে। বিভিন্ন সময় চট্টগ্রাম বিআইডব্লিউটিএ’র উপ-পরিচালক নয়ন শীল জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযান চালানো হবে। শুধুমাত্র ‘রাইজিং স্টিল’কে এক বছর আগে বৈধভাবে মিটিংয়ের মাধ্যমে অনুমতি দেয়া হয়েছিল; তাদের মেয়াদও শেষ পর্যায়ে। চট্টগ্রাম বোর্ড যেসব অনুমতি দিয়েছে, আমরা বারবার বাতিলের অনুরোধ জানিয়েছি, কিন্তু তারা তা করেনি। তাই খুব শিগগিরই এর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হবে।